নজরবন্দি ব্যুরোঃ নন্দীগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে বীরভূমের পুলিশ সুপার করল কমিশন। রাজ্যে ইতিমধ্যেই মিটেছে পাঁচ দফার নির্বাচন। শেষ তিন দফা নির্বাচনের আগে ফের প্রশাসনিক রদবদলের পথে হাঁটল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং। #BreakingNews
একাধিক জায়গায় প্রশাসনের পুলিশকর্তাদের স্থানান্তরিত করল কমিশন। বীরভূমের পুলিশ সুপার মিরাজ খালিদকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দিল কমিশন। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ সুপার পদে বহাল হলেন নন্দীগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী। অন্যদিকে আরও বেশ কয়েক জায়গায় স্থানান্তরিত হলেন পুলিশ কর্তারা। একইসঙ্গে অপসারণ করা হয়েছে বোলপুরের এসডিপিও কেও। এছাড়া একসাথে বদল করা হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের এসপিকে।
এছাড়া আসানসোল- দুর্গাপুরের সিপি সুকেশ জৈনকেও সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁর বদলে নতুন সিপি হিসেবে আনা হয়েছে আরেক আইপিএস অফিসার মিতেশ জৈনকে। এছারাও পূর্ব বর্ধমানের এসপি ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কেও তাঁর পদ থেকে অপসারিত করেছে কমিশন। তাঁর বদলে নতুন এসপি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অজিত সিংকে। ইতিমধ্যেই একসঙ্গে এতোগুলো রদবদলের কারন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। যদিও কমিশন সূত্রে জানা গেছে শুধুমাত্র রুটিন রদবদল করা হয়েছে। তবে কমিশন যতই একে রুটিন পরিবর্তন বলুক জল্পনা থামছে না রাজনৈতিক মহলে।
নন্দীগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে বীরভূমের পুলিশ সুপার করল কমিশন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট অফিসারদের সরিয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের আগে কড়া বার্তা দিল কমিশন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলি কি প্রতিক্রিয়া দেয়। তবে কমিশন যে নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য যথেষ্ট উদ্যোগী তা তাদের এই রদবদলেই প্রমান দিচ্ছে।



