নজরবন্দি ব্যুরো: ১ সেপ্টেম্বর থেকে চলতে পারে লোকাল ও মেট্রো। রেল কে চিঠি নবান্নের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মত রাজ্য সরকার লোকাল ট্রেন ও মিত্র চালাতে বলে চিঠি দিলেন রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান কে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার চিঠিতে জানিয়েছেন, লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালাতে রাজ্য সরকার আগ্রহী।
আর পড়ুনঃ ৯ ই সেপ্টেম্বর প্রত্যেক বছর পালিত হবে ‘স্টুডেন্ট -ডে’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
যথাযথ সামাজিক দূরত্ব ও নিয়ম বিধি মেনে রাজ্যে ট্রেন চালানো যেতে পারে।এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের সাথে রেল বোর্ড যাতে কথা বললেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এছাড়াও এই চিঠিতে রাজ্য সরকার রেল পরিষেবা চালু জন্য রেল কর্তৃপক্ষ থেকে যা করার প্রয়োজন তা করতে এবং জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে রাজ্যকে। কারণ, দ্রুত যাতে চালু করা যায় এই পরিষেবা।
উল্লেখ্য, এই চলতি সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত করে জানিয়েছিলেন নিয়ম বিধি মেনে রাজ্যে সেপ্টেম্বর থেকে মেট্রো ও লোকাল ট্রেন চালু করা যেতে পারে। তারপরই এই চিঠি স্বরাষ্ট্রসচিবের। গত মার্চ মাস থেকে রাজ্য সহ সমগ্র দেশে মেট্রো রেল পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। সূত্রের খবর থেকে মনে করা হচ্ছে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেন চালু করা যেতে পারে। সেই কথা জেনেই এই চিঠি কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যের।তবে, রেল পরিষেবা চালু করা হলে নিয়ম ও সামাজিক দূরত্ব কতটা মানা যাবে তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিচ্ছে।
মেট্রোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও নিয়ম মানা গেলেও কার্যত অসম্ভব লোকাল ট্রেনের ক্ষেত্রে তা মানা।এখন এটাই দেখার, কিভাবে প্রতিটি নিয়ম-নীতি মেনে ট্রেন চালু করা হয়। এখন এটারই অপেক্ষা করছে রাজ্যের সাধারণ জনগণ। কারণ ,প্রত্যেকের সমস্যা হচ্ছে। এই সমস্যা থেকে কবে মুক্তি পাবে ,সেই দিকে তাকিয়ে সকলে। প্রসঙ্গত, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হতে পারে লোকাল ট্রেন, ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা। কয়েকদিনের মধ্যেই Unlock 4 – এর গাইডলাইন জারি করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেখানেই লোকাল ও মেট্রো পরিষেবা শুরুর অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলে খবর। মেট্রো না চলায় যাত্রীদের পুরো ভারটাই সামলাতে হচ্ছে বাসকে। এর ফলে বাসে ব্যাপক ভিড় হচ্ছে। ফলে শারীরিক দূরত্ববিধি কোনো ভাবেই পালন করা যাচ্ছে না।
১ সেপ্টেম্বর থেকে চলতে পারে লোকাল ও মেট্রো। সূত্রের খবর শুরুতে পঁচিশ শতাংশ লোকাল ট্রেন চালানো হবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে বিভিন্ন শাখায় ৭৬৮ হাওড়ায় ২১২ টি লোকাল ট্রেন চলে। গত কয়েকমাস যাত্রীবাহি ট্রেন না চলায় রেলের প্রায় পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিদ্র করতে তৎপর রেল। স্টেশনে ঢোকা এবং বেরনোর পথ সংকীর্ন করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক যাত্রীকে থার্মাল স্ক্যানার পেরিয়ে তবেই স্টেশনে ঢুকতে হবে। নিয়মিত স্টেশন স্যানিটাইজ ছাড়াও ট্রেন চলাচলের নিয়ম বেঁধে দেওয়া হতে পারে। প্রত্যেক স্টেশনে অলটারনেট করে গ্যালপিং ট্রেন চলতে পারে। থাকবে আরপিএফের নিশ্চিদ্র সুরক্ষা বলয়।



