নজরবন্দি ব্যুরোঃ মু্র্শিদাবাদ মালদা বড় ফ্যাক্টর, আজকের ভার্চুয়াল সভা থেকে একথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু বাংলা দখল করার লক্ষ্যে মোদী বাংলার ক্ষতি করলেন। কাজ করার ক্ষমতা নেই , সবকিছু কেন্দ্রীভূত করার জোতদারি আর জমিদারি। চারদিকে অক্সিজেন নেই। এদিকে মোদী মন কা বাত করে চলেছেন। ওনার মনের কথা কে শুনতে চায়? রবিবার মুর্শিদাবাদে ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগার পর তিনি বুঝিয়ে দিলেন এই নির্বাচনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ মালদা মুর্শিদাবাদ।
আরও পড়ুনঃ সংকট দেশজুড়ে, জেলায় জেলায় অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির সিদ্ধান্ত মোদীর


করোনার ব্যাপক সংক্রমণ কালে নির্বাচন কমিশন একেবারে শেষ মুহুর্তে এসে বন্ধ করেছে সভা-মিছিল-মিটিং। এই বিষয়ে আগেও একাধিকবার কমিশনকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। রাজ্যে এখনো বাকি ২ দফার নির্বাচন। তার আগে সমস্ত রকম জনসভা বাতিল করে জেলায় জেলায় গিয়ে প্রার্থীদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করছেন দলনেত্রী। আসানসোল, মালদার পরে আজ মুর্শিদাবাদে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন তিনি। সোমবার, ২৬ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের আরও ১১টি আসনে ভোট। আগামী ২৯ এপ্রিল বহরমপুর-সহ মুর্শিদাবাদের ১১টি আসনে ভোট। তার আগে আজ মুর্শিদাবাএ সভা করছেন তিনি তৃণমূলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান এবং জেলার অন্যান্য প্রার্থীদের নিয়ে।
সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জনিয়ে দিয়েছেন, এই নিইর্বাচনে মুর্শিদাবাদ মালদা বড়ো ফ্যাক্টর তাঁর কাছে, ” মু্র্শিদাবাদ মালদা বড় ফ্যাক্টর আমার কাছে। আপনাদের এক একটা ভোট আমার সরকার গড়তে সাহায্য করবে। আপনাদের বলব আমার এবার আমও চাই আমসত্ত্বও চাই। আর যেহেতু এবার কোভিড পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাই আমের আচারও চাই”
শুরুতেই তিনি বলেছিলেন, ‘কমিশন আমার মিটিং নিষিদ্ধ করলেও আমি মুর্শিদাবাদেই পড়ে আছি। কলকাতা থেকেও ভার্চুয়াল মিটিং করতে পারতাম করিনি। বোলপুরে গিয়ে ভার্চুয়াল মিটিং করেছি। এখানেও নিজে এসেই বৈঠক করছি। তবে যে যে এলাকায় পৌঁছতে পারিনি, সেসব জায়গায় আমি ভোটের পর যাবই। আপনারা শুধু তৃণমূল প্রার্থীদের জেতান’


তবে কেন্দ্রের বিরুদ্ধ্বে কটাক্ষ করার পাশাপাশি করোনা কালে কেন্দ্রীয় বাহিনি এলে কিভাবে তাঁদের সঙ্গে কথা বলবেন, মুর্শিদাবাদের জনগণকে সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, “কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়িতে এলে বলুন দূর থেকে কথা বলতে। কার কী আছে আপনি জানেন না। বাড়িতে এলে বলবেন এখন আমরা আউটসাইডারদের ঢুকতে দিচ্ছি না। তারপরও কিছু বললে মা-বোনোরা বলবেন ‘তােমাদের কোভিড আছে কি না দেখ, আগে চিকিৎসা করাও।”
মু্র্শিদাবাদ মালদা বড় ফ্যাক্টর, তাই সেখানের তৃণমূল প্রার্থীদের জেতানোর আবেদনের পর ভার্চুয়াল সভা থেকে কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করারা পাশাপাশি রাজ্য পুলিশকেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর বক্তব্য, ‘আমাদের পুলিশের মাথার ঠিক নেই। রাজ্যের পুলিশ কমিশন এলেই ঘুঘুর বাসায় ঢুকে পড়ে। ওরা ভাবে কমিশন যা বলছে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। বাকি পাঁচ বছর যে কমিশনকে ছাড়াই থাকতে হবে সেটা ভুলে যায় ওরা।’’








