নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের ভোটের দামাদা বাজল বঙ্গে। তবে এবার হতে চলেছে বিরোধীদের বহু প্রতিক্ষিত পুরসভা নির্বাচন। কোভিড পরিস্থিতির কারনে প্রায় ১০০টি পুরসভার ভোট হয়নি রাজ্যে। কলকাতা, শিলিগুড়ির মত কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন পুরসভার কাজ চলছে প্রশাসক নিয়োগ করে। এই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে শীঘ্রই। উপনির্বাচন মিটলেই রাজ্যে পুরসভার ভোট হবে, অন্তত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৭৬১, মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। দেখুন করোনা বুলেটিন
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিকে যখন বার বার উপনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছিলেন তখন অন্যদিকে পুরসভা নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছিল বিরোধীরা। তৎকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “সাধারণ মানুষকে কেন পুর পরিষেবা দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? কেন দেড়–দু’বছর ধরে পুরসভা নির্বাচন হচ্ছে না? পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা ভোগ করার জন্য? আগে দ্রুত পুরসভা নির্বাচন করা হোক।”
একই ভাবে আক্রমণ শানিয়েছিল সিপিআইএমও। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক সুর্যকান্ত মিশ্র বলেছিলেন, রাজ্যে ১৩৪ টি পুরসভা প্রশাসক দিয়ে চালাতে হচ্ছে। সেখানে নির্বাচন করানোর মুরোদ নেই, মুখ্যমন্ত্রী বিধানপরিষদ গঠন করবেন। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভার উপ্নির্বাচন প্রসঙ্গে কমিশন কে বলেছিলেন, এখন কোভিড কম আছে কমিশন উপনির্বাচন করে নিলে আমরা মাদের ভোটটাও করিয়ে নিতে পারি।
এবার কথা রাখতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে যেমনটা বলেছিলেন আজ প্রায় একই কথা বলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, উপনির্বাচন মিটলেই রাজ্যে পুরসভার ভোট হবে। অর্থাৎ আগামীকাল ভবানীপুর বিধানসভা সহ বাকি দুই আসনে ভোটের ফল বেরোনোর পর আগামী ৩০ তারিখ হবে বাকি চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন। তারপরেই পুরোসভার ভোট হবে রাজ্যে।
উপনির্বাচন মিটলেই রাজ্যে পুরসভার ভোট, ৩০ তারিখের পরেই শুরু প্রস্তুতি।

যদিও কমিশন সূত্রে খবর রাজ্যে পুরোভোট হতে পারে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে। এখন দেখার উপনির্বাচন মিটলে রাজ্যে পুরভোটের দামাদা বাজে কিনা।



