লোকসভা নির্বাচনের পর প্রথম পরীক্ষা পাশ করে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই জয় পেল শাসক দল। অন্যদিকে, কার্যত ধরাশায়ী রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। জেতা তিন আসন হাতছাড়া করল তাঁরা। গত ১০ জুলাই রাজ্যের রানাঘাট দক্ষিণ, বাগদা, রায়গঞ্জ ও মানিকতলা আসনে ভোটগ্রহণ হয়। আজ, ১৩ তারিখ ফলাফল প্রকাশে দেখা গেল, চারটি কেন্দ্রই জিতেছে তৃণমূল।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণে কেন্দ্র থেকে পদ্ম-প্রতীকে জেতেন মুকুটমণি অধিকারী। এরপর তিনি যোগদান করেন তৃণমূলে। লোকসভায় রানাঘাট থেকে তাঁকে প্রার্থীও করে তৃণমূল। কিন্তু তিনি হেরে যান বিজেপির জগন্নাথ সরকারের কাছে। মুকুটমণি দলত্যাগ করাতেই রানাঘাট দক্ষিণে উপনির্বাচন হয়। এবার ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেল, রানাঘাট দক্ষিণ উপনির্বাচনে প্রায় ৩৪ হাজার ভোটের মার্জিনে জিতেছেন মুকুটমণি অধিকারী।



পশ্চিমবঙ্গের চারটি বিধানসভা-সহ দেশের সাতটি রাজ্যের ১৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কংগ্রেস, তৃণমূল, আপ, ডিএমকে-সহ ‘ইন্ডিয়া’র শরিকেরা মোট ১০টিতে জিতেছে। সেখানে বিজেপি জিতেছে মাত্র ২টি আসন! বিহারের একটি আসনে জিতেছেন নির্দল প্রার্থী। এদিকে, রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রে জয়ের পরেই নিজের প্রাক্তন দল, বিজেপির বিরুদ্ধে সরব মুকুটমণি।
বিজেপি নেতারা কামিনী কাঞ্চনে ব্যস্ত, জিতেই পুরনো দলের কাহিনী ‘ফাঁস’ মুকুটমণির



মুকুটমণির কথায়, “বিজেপির সাংসদ বিধায়কেরা সব কামিনী কাঞ্চনে ব্যস্ত। আমোদ প্রমোদে ব্যস্ত। মানুষের খবর রাখে না। মতুয়া, রাজবংশী, এসসি, এসটি, পিছিয়ে পড়া মানুষ কারুর সাথেই এরা থাকে না। বাংলার মানুষের উন্নয়ন মমতাময়ী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই সম্ভব। আমি মানুষের কাছে গিয়েছি। বুঝিয়েছি। আজ তার ফল পেয়েছি।”








