নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিলীপ কে পাত্তা দিলেন না মুকুল! পাল্টা দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতিও! ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের ১ মাস পর থেকে আচমকাই আর খবরে নেই মুকুল রায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে বিজেপির এক এবং একমাত্র মুখ দিলীপ ঘোষ। মাঝে মধ্যে সিআইডি, রাজ্য পুলিশ অথবা ইডি বা সিবিআই খোঁচা না দিলে গত ১ বছর তেমন ভাবে খবরের শিরোনামে নেই মুকুল রায়। মুকুল রায়ের মত দক্ষ সংগঠক কে একাধিকবার পরীক্ষা দিতে হয়েছে তিনি আজও কতটা কার্যকর। পঞ্চায়েত বা লোকসভায় সেই পরীক্ষা সাফল্যের সাথে পাশ করেছেন মুকুল।
আরও পড়ুনঃ করোনা ভ্যাকসিনে GST বসানোর দাবি তুললেন দিলীপ, কাউন্সিল বৈঠক করবে ৮ই জুন।


তবে পাশ করলেও প্রমোশন হয়নি। ২০২১ সালের নির্বাচনে তেমনভাবে কোন দায়িত্ব না দিয়ে সুদূর কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে প্রার্থী করা হয় তাঁকে। এহেন মুকুল রায় যেন একেবারেই চুপ। অবশ্য তিনি, এবং তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা দেবি উভয়েই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন এরমধ্যে। মুকুল বাবু বাড়ি ফিরে এলেও তাঁর স্ত্রী এখনও লড়ছেন হাসপাতালে। এদিকে শুভ্রাংশু মা বাবার শরীর খারাপ অথচ বিজেপির কোন নেতা(শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া) খোঁজ নেননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারই মাঝে মুকুল জায়ার স্বাস্থ্যের খবর নিতে হাসপাতালে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! আগুনে যেন ঘৃতাহুতি হয়।
অভিষেক হাসপাতালে যাওয়ার খবর পেয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে তড়িঘড়ি পৌঁছান দিলীপ ঘোষ। রাত পোহাতেই মুকুল রায় কে ফোন করেন খোদ নরেন্দ্র মোদি… এতদিন পর! কিন্তু কেন? বিজেপি সূত্রে খবর দলের মধ্যে আদি নব্য দুপক্ষের নীরব বিবাদ চরমে উঠেছে। সেই বিবাদ এবার কার্যত প্রকাশ্যে চলে এল। বুধবার অভিষেক হাসপাতালে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যান দিলীপ। তখন মুকুল সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। মুকুল রায় পরে বলেন, ‘‘উনি(দিলীপ ঘোষ) আমাকে বা অন্য কাউকে বলে তো হাসপাতালে যাননি। কাকে দেখতে গিয়েছিলেন, তা-ও জানি না!’’
দিলীপ কে পাত্তা দিলেন না মুকুল! এর জবাবে দিলীপ বলেন, ‘‘অসুস্থকে দেখতে হাসপাতালে যাওয়ার আগে কাউকে জানিয়ে যেতে হয় নাকি!’’ এরপরেই দিলীপ ঘোষকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তিনি মুকুল রায়ের স্ত্রীর অসুস্থতার কথা জানতেন। কিন্তু কোভিড হাসপাতালে সাধারণত কেউ যাননা। তিনি (দিলীপ ঘোষ) যখন ভর্তি ছিলেন তখনও কেউ যায়নি! কিন্তু তাহএল অভিষেক যাওয়ার পরেই কেন এলেন? উত্তরে মিডিয়াকে গল্প বানাতে বারন করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।









