নজরবন্দি ব্যুরোঃ রবিবার দুই কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এরপরেই কার্যত নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নবান্নে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব। দুই জনপ্রতিনিধির মৃত্যুর পরেই আরও কড়া প্রশাসন। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে আনিস খানের মৃত্যুর পর সিভিক ভলেন্টিয়ারদের নিয়ে আরও সজাগ হয়েছে নবান্ন।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের হয়ে প্রচারে আসছেন ‘দাবাং গার্ল’, থাকবেন বাবার মনোনয়ন পর্বে
প্রত্যেক উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিজেদের জেলা ঘুরতে হবে। কোনওরকম আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন যাতে না ওঠে সেদিকে নজর রাখতে হবে। পুরবোর্ড গঠনকে ঘিরে যাতে কোনও অশান্তি যাতে না ছড়ায়, সেজন্য স্কলকে সজাগ থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে পুলিশ সুপারদের।
আমতার ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যুর পর সিভিক ভলেন্টিয়ারদের বিষয়ে আরও সজাগ হওয়ার বার্তা দিয়েছে প্রশাসন। নবান্ন সূত্রে খবর, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের সকলকে সঠিকভাবে প্রশিক্ষন দেওয়ার কথা বলে হয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে যেসমস্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের নাম উঠে এসেছে তাঁদেরকে যথাযথ প্রশিক্ষন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে হাওড়া এবং ব্যারাকপুর কমিশনারেটকে। দুই জেলার পুলিশ সুপারদের সতর্ক করেছেন মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী।
উল্লেখ্য, রাজ্যে দুই কাউন্সিলর খুনে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আর্জি। বিধি মেনে মামলা দায়েরের পরামর্শ দিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। রাজ্যে দুষ্কৃতীরাজ চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা নেই বলে অভিযোগ তুলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আইনজীবী। শীঘ্রই মামলা দায়েরের সম্ভবনা।
দুই জনপ্রতিনিধির মৃত্যুর পরেই আরও কড়া প্রশাসন, মুখ্যসচিবের বিশেষ বার্তা

সংসদে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীড় রঞ্জন চৌধুরী। অধীরের অভিযোগ, বাংলায় অরাজকতা চলছে। আইনের কোনও শাসন নেই। পুরুলিয়ার ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলরের মৃত্যুতে সংসদে সরব হলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ। টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানালেন সোনিয়া গান্ধী।



