দুদিনের সফরে ভারতে এসেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জল বণ্টন, নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বৈঠক হয়। ১০টি মউ স্বাক্ষর হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। পাশাপাশি ফারাক্কা-গঙ্গা চুক্তি সম্পন্ন করার দিকে এগিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এখানেই আপত্তি রাজ্যের।
আরও পড়ুনঃ বাংলায় নতুন জঙ্গি গোষ্ঠী শাহাদাত, STF-এর জালে হবিবুল্লা নামে এক মেধাবী ছাত্র

অভিযোগ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করেই মোদি-হাসিনা বৈঠকে নতুন করে ফারাক্কা-গঙ্গা চুক্তি সম্পন্ন করার দিকে এগিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এখানেই প্রবল আপত্তি তৃণমূল কংগ্রেসের। এরাজ্যের শাসকদলের বক্তব্য, এই ধরনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলা উচিত কেন্দ্রের।
কিন্তু কেন্দ্র সরকার বাংলাকে পুরোপুরি অন্ধকারে রেখে ফরাক্কা চুক্তি নবীকরণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। রাজ্যের শাসক দলের এক নেতার কথায়, ‘রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে এই ধরনের চুক্তি এগোতে পারে না। আমরাও এই চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’। উল্লেখ্য, গঙ্গার জলবন্টন নিয়ে টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের। আগামী ২০২৬ সালে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। তার আগেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হল দুই দেশের মধ্যে।
রাজ্যকে বাদ দিয়ে ফারাক্কা জল বণ্টন নিয়ে কথা মোদি-হাসিনার, প্রবল আপত্তি জানালো তৃণমূল

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি, এই চুক্তি ফের বাস্তবায়িত হলে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়ায় বন্যা এবং ভাঙ্গন আরও তীব্র হবে। আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজ্যের মতামত অস্বীকার করার এহেন একতরফা পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংসদে তীব্র প্রতিবাদ করতে চলেছে তৃণমূল।



