নজরবন্দি ব্যুরোঃ “ফিরে এলে স্বাগত” বিপুল জয়ের পরেও দলবদলুদের প্রতি মমতাময়ী মুখ্যমন্ত্রী। তখনও নির্বাচন বেশ কয়েক মাস বাকি। শুভেন্দু অধিকারী থেকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় একের পর এক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী একে একে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর সেই তালিকা আরও লম্বা হয়।


কিন্তু ভোট মেটার পর দেখা গেল দু একজন ছাড়া সবাইকেই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন যে ‘ওজনদার’ নেতারা, তাঁদের মধ্যে শুভেন্দু অধিকারী, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিককে বাদ দিলে কেউই জয়ী হতে পারেননি। বিরাট ব্যবধানে হেরেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত, বৈশালী ডালমিয়ারা। আর তারপরেই দলত্যাগীদের দলে ফেরা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। তবে বিপুল সাফল্য পাওয়ার পরও দলত্যাগীদের প্রতি উদারতা দেখালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরতে চাইলে সকলকেই দলে স্বাগত জানাবেন বলে জানালেন তিনি।সোমবার সকালে কালীঘাটে যখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা, সেখানে ‘দলবদলু’দের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে মমতা বলেন, ”আসুক না। কে বারণ করেছে! এলে স্বাগত।”
ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর এখনও ২৪ ঘণ্টা কাটেনি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যাওয়া কেউ এখনও প্রকাশ্যে জোড়াফুলে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। তবে সেই সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়েও দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ”তৃণমূল ছেড়ে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা অত্যাচারিত এবং অপমানিত হয়ে এসেছিলেন। মনে হয় না তাঁদের কেউ ফিরে যাবেন।”
“ফিরে এলে স্বাগত” বিপুল জয়ের পরেও দলবদলুদের প্রতি মমতাময়ী মুখ্যমন্ত্রী। তবে রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন যারা চরম কঠিন সময়ে দলত্যগ করেছেন তাদের সৌজন্যের খাতিরে স্বাগত জানালেও আদৌ তিনি দলে নেবেন কিনা সেই ব্যাপারে সন্দেহ থেকে যায়।









