নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত অগাস্ট মাসে ত্রিপুরার তৃণমূল কর্মী মুজিবর ইসলাম মজুমদারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। চলতি সপ্তাহেই মৃত্যু হয় তাঁর। শুক্রবার তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যান বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। তৃণমূল কর্মী মজিবরের মৃত্যুতে সমালোচনা সুদীপের। সেখান থেকেই জল্পনা বাড়তে শুরু করেছে। তবে কী তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন তিনি?


এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি বিধায়কের মন্তব্য, ” মুজিবর ইসলাম মজুমদার একজন নিপাট ভদ্রলোক। স্বজ্জন ব্যক্তি। ২৮ অগাস্ট দুষ্কৃতিকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। কলকাতা যাওয়ার আগে বিস্তারিত ঘটনা বলে গেছে। হাত ভাঙার পাশপাশি তাঁকে ফেলে বুট দিয়ে তাঁর বুকের ওপর আঘাত করা হয়েছে। তারপর আর সে সুস্থ হতে পারেনি। আমরা সবাই আজকে মর্মাহত। এধরনের রকজন ব্যক্তি রাজনীতিতে পাওয়া দুষ্কর। তাঁর ওপর আঘাত আনা হল”।
.@BJP4Tripura MLA Sudip Roy Barman strongly condemns the attack that took Majibur's life. He demands justice for the departed soul.
Even your own MLAs cannot tolerate your insensitivity, @BjpBiplab! The death of Majibur Islam Majumder has drawn flak from people across Tripura. pic.twitter.com/VsnnYj8ykP
Related Newsপালাবদলের পর বড় পদক্ষেপ! অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলারবাংলায় তৃণমূলের ভরাডুবিতে বড় ধাক্কা! চুক্তিতে না, আই প্যাক থেকে মুখ ফেরালেন অখিলেশ যাদব— AITC Tripura (@AITC4Tripura) January 7, 2022
একইসঙ্গে সুদীপ রায় বর্মনের দাবী, তদন্তকারী সংস্থা গোটা ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা ৩০২ ধারা লাগু করে চার্জশিট জমা দিক। তিনি আরও বলেন, “খুব ছোট থেকে সম্পর্ক। আজ ও যে নেই এটা ভাবতেই মেনে নিতে পারছি না। আমার বিশ্বাস মুজিবের বিদেহী আত্মা বিদায় পাবে।”
তৃণমূল কর্মী মজিবরের মৃত্যুতে সমালোচনা সুদীপের। তাঁর অভিযোগ, মুজিবরের বাড়িতে ঢুকে তার ওপর হামলা চালায় বিজেপি কর্মীরা। গুরুতর আহত হন তৃণমূল কর্মী মুজিবর। চিকিৎসার জন্য কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। কিন্তু শেষ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। কলকাতা থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ত্রিপুরায়। সেখানে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি বিধায়ক।
তৃণমূল কর্মী মজিবরের মৃত্যুতে সমালোচনা সুদীপের, বিজেপিতে চওড়া ফাটল

এমনিতেই বিজেপির সঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা সুদীপ রায় বর্মনের দুরত্বের কথা রাজনৈতিক মহলের কাছে অজানা নই। এর আগে পুর নির্বাচনে শাসক দলের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছিলেন তিনি। তখন থেকেই যেন দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছিল তাঁর। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভায় অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায় তাঁকে। এখন আবার বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে সরব হলেন তিনি। তবে কী সুদীপের কামব্যাক এখন সময়ের অপেক্ষা? বিজেপি চওড়া ফাটল দেখে প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।









