নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার পাঞ্জাবের ফিরোজপুরের একটি সভায় যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু কৃষকদের বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রীর সেই সভা বাতিল করা হয়। প্রশ্ন ওঠে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে। এরপরেই আদালতে মামলা দায়ের করেন কয়েকজন আইনজীবী। প্রধানমন্ত্রীর ওই দিনের যাত্রাপথের সমস্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেলকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধানমন্ত্রীর আলগা নিরাপত্তা দুর্লভ ঘটনা, জানালেন সলিসিটর জেনারেল।
আরও পড়ুনঃ COVID-19 in India: লক্ষের ঘর পার দেশে দৈনিক কোভিড সংক্রমণ, বাড়ছে ওমিক্রনও


সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেই দিনের যাত্রাপথের সমস্ত তথ্য আদালতের কাছে পেশ করার জন্য এসপিজি, পাঞ্জাব পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সমস্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আদালতে কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতি দুর্লভ ঘটনা। এমনকি এর জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে মুখ পুড়তে চলেছিল ভারতের। তাই এনআইএ তদন্তের দাবী জানান তাঁরা।
গোটা ঘটনার জন্য পাঞ্জাব সরকার এবং পাঞ্জাব প্রশাসনের দিকে প্রশ্ন তুলেছেন সলিসিটর জেনারেল। একইসঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের কোনও বড়সড় পরিকল্পনা ছিল কিনা তার আশঙ্কা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি।
পাল্টা পাঞ্জাব সরকারের অ্যাডাভোকেট জেনারেল ডিএস পটওয়ালিয়া জানিয়েছেন, তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। শুক্রবার মোগা-ফিরোজপুর হাইওয়েতে উপস্থিত হয়েছে তদন্তকারী দল। গোটা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছেন তাঁরা।


উল্লেখ্য, বুধবার পাঞ্জাবের ভাতিন্ডা বিমানবন্দর থেকে ফিরোজপুরে একটি জনসভার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রথমে হেলকপ্টারে যাওয়ার কথা থাকলেও পরে খারাপ আবহাওয়ার কারণে সড়কপথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কিন্তু প্রধান মন্ত্রীর যাত্রাপথে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কৃষকরা। গন্তব্যস্থল থেকে ১০ কিলোমিটার আগেই দাঁড়িয়ে থাকে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। সেখান থেকেই ফের ভাতিন্ডা বিমানবন্দর ফিরে যান তিনি। বাতিল হয়ে সমস্ত কর্মসূচি।
প্রধানমন্ত্রীর আলগা নিরাপত্তা দুর্লভ ঘটনা, বড়সড় পরিকল্পনা? উঠছে প্রশ্ন

কেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতি? প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানুতোর। একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস-বিজেপি। শুরু হয়েছে ট্যুইট যুদ্ধ।







