নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিপাকে মহাগুরু, ফিল্মি সংলাপে উস্কানির অভিযোগ নিয়ে রিপোর্ট তলব আদালতের। রাজ্যের এক নির্বাচনী প্রচারসভায় গিয়ে বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে দলে যোগদানের পাশাপাশি নিজস্ব স্টাইলে ফিল্মি ডায়লগ দিয়ে নিজেকে ‘জাত গোখরো’ বলে পরিচয় দিয়েছিলেন বাংলার মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। শুধু তাই নয় এক ছোবলে ছবি করার কথাও শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে। তাঁরই ছবির সংলাপ শুনে উপস্থিত জনতা হাততালির বন্যা বইয়ে দিলেও পরে এই নিয়ে যথেষ্ট জলঘোলা হয় রাজ্য রাজনীতিতে।
আরও পড়ুনঃ আবেদনে সাড়া, করোনা যোদ্ধা হিসেবে ব্যাঙ্ককর্মীদের টীকাকরণের সিদ্ধান্ত রাজ্যের।
তবে তারপর বাংলার ভোটের প্রচারে গেরুয়া শিবিরের হয়ে যেখানেই তিনি গিয়েছেন, সেখানেই দেখা গিয়েছে জনপ্লাবন। আর মঞ্চে উঠলেই জনতার আবদার, ‘গুরু ওই ডায়লগটা একবার হয়ে যাক.!’ তিনিও পিছিয়ে থাকেননি। মানিকতলার এক সভা থেকে এমএলএ ফাটাকেষ্টর সংলাপ বলে লাশ ফেলে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে জনস্বার্থে মামলা করেন এক ব্যক্তি। তিনি আরও অভিযোগ করেন শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মিঠুনের মন্তব্য যথেষ্ট আপত্তিকর। আর সেই মামলাতেই এবার বিপাকে ফাটাকেষ্ট।
শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করল শিয়ালদহ এসিজেএম আদালত। আগামী ১ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি। প্রসঙ্গত ভোট প্রচারে মালদহে গিয়ে কোভিড বিধি না মানায় মিঠুনের নামে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিলেন মালদহের জেলাশাসক তথা জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তারপর দেখা গিয়েছিল বীরভূমের প্রচারে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে নামার পর ভিড় দেখে মঞ্চেই ওঠেননি মিঠুন।
বিপাকে মহাগুরু, ফিল্মি সংলাপে উস্কানির অভিযোগ নিয়ে রিপোর্ট তলব আদালতের। ব্যারিকেডের বাইরে দাঁড়িয়ে দু’চার কথা বলেই ফিরে এসেছিলেন। এই নিয়ে তাঁর কোন প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও এই নিয়ে বিজেপির এক নেতা বলেন “এ আসলে বিব্রত করার কৌশল। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর মোকাবিলা করা হবে।” এখন দেখার এই বেলাগাম মন্তব্যের জল কতদূর গড়ায়।



