আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের বিচারের দাবি চেয়ে রাস্তায় নেমেছে ডাক্তার থেকে আইনজীবী, শিল্পী থেকে বুদ্ধিজীবী, সকলে পথে নেমেছেন। সোমবার একই দাবি নিয়ে পথে নেমেছিল সঙ্গীত শিল্পীদের একাংশ। সেই মিছিলে পা মিলিয়েছিল মীর আফসার আলি। কিন্তু ঠিক কবে বিচার পাবে সে বিষয়ে কারও কোন স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে আবারও প্রতিবাদের ডাক দিল মীর। প্রতিবাদ মিছিল চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করলেন তিনি।
এদিন একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মীর জানিয়েছেন, ২২ আগস্ট পর্যন্ত দুদিন সময় চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই সময়টা প্রত্যেকের ধৈর্য রাখার সময়। কিন্তু কোনমতে আন্দোলন থামালে চলবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট কোন রায় দিচ্ছে ততক্ষন পর্যন্ত প্রত্যেককে ধৈর্য রাখতে হবে, আন্দোলন জারি রাখতে হবে। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার একমাত্র পথ হল এই আন্দোলন। তাই কোনমতে আন্দোলন না থামানোর নির্দেশ দেন মীর। এছাড়াও একসাথে না হলেও দফায় দফায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।


প্রসঙ্গত, মীরের স্ত্রীও পেশায় একজন চিকিৎসক। তাই ঘটনার পর থেকেই তিনি ও তাঁর স্ত্রী এই ঘটনার প্রতিবাদ করে গেছেন। তাঁদের কথায় কথায় কেটে গেলে যেমন রক্তকে আটকানো যায়না ঠিক তেমনি ঠিক তেমনি বিচার না আসা পর্যন্ত ও ডাক্তারদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন থামান যাবে না।
এদিকে মঙ্গলবার আরজিকর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে। আগামী মামলা হবে ২২ সে অগাস্ট বৃহস্পতিবার। তবে ২২ অগাস্টের মধ্যেই সিবিআই এই মামলায় স্টেটাস রিপোর্ট দেবে সুপ্রিম কোর্টকে। চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করতে আবেদন সুপ্রিম কোর্টের। এছাড়াও ১৪ই আগস্ট রাতে আরজিকর মেডিক্যালে ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্যকে ২২ সে অগাস্টের মধ্যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার। আর সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।







