নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুর্নীতির দায় থেকে অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে বাঁচাতে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যকে বাজি ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সেলিম। বরাবর বামপন্থীরা দিদি-মোদী যোগের কথা প্রচার করতেন। আর এই বিষয় নিয়ে আবারও মুখ খুললেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম । বুধবার রাতে ঠাকুরনগরে সারাভারত কিষান ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সমাবেশ থেকে এই বার্তা দিলেন সেলিম। এমনকি পুলিশকেও ‘কুকুরের’ সঙ্গে তুলনা করে আক্রমণ শানালেন। কলকাতার বুকে নেড়ি পুলিশ মানুষকে কামড়াচ্ছে, এমন বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে।
আরও পড়ুনঃদিলীপের দলিলে সই করেছিলেন প্রসন্ন! উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
রাজ্যের বুকে ঘটে চলা অরাজকতা, নেতা মন্ত্রীদের মুখের বিকৃত ভাষা হোক বা পুলিশি বর্বরতা, সব কিছুর পিছনে রয়েছে কেন্দ্র রাজ্যের আভ্যন্তরীন সন্ধি। রাজ্যের চাকরী প্রার্থীদের কআছে ভয়ের বাতাবরন তৈরি করতেই যে এমন আবহ তৈরি করে রাখা হয়েছে একথাও বলেন সেলিম। পুলিশি অত্যাচারকে কুকুরের মতো বলে আক্রমণ করতে ছাড়লেন না বামনেতা। তিনি বলেন, “চাকরিপ্রার্থীরা দাবি জানাতে গেলে পুলিশ কামড়াচ্ছে৷ একসময় গ্রামগঞ্জের মানুষ বলতেন কলকাতার রাজপথে নেড়ি কুত্তা রয়েছে, কামড়ে দিতে পারে৷ এখন কলকাতার বুকে নেড়ি পুলিশ মানুষকে কামড়াচ্ছে!”

এরপরেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন,” কখনও বিভিন্ন সমীক্ষার নামে, আবার কখনও দুয়ারে সরকারের নাম করে সমস্ত তথ্য তুলে দিচ্ছেন। কয়লা পাচার এবং সোনা পাচার থেকে আসলে নিজের ভাইপো আর তার বউকে বাঁচাতে গোটা রাজ্যে মানুষকে বাজি ধরে দিয়েছেন কেন্দ্রের কাছে৷’’ নাগরিকত্ব বিলকে সামনে রেখে মূল ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে চাইছে কেন্দ্র রাজ্য এই দাবীও করেন তিনি। সেলিমের মতে ২০১৯ এ পাশ হওয়া বিল লাগু হতে এত সময় লাগার কথা তো নয় কিন্তু কেন প্রতিবার ভোটের আগে কুমির ছানার মতো সিএএ কে ব্যবহার করা হয়।
এখন কলকাতার বুকে নেড়ি পুলিশ মানুষকে কামড়াচ্ছে, আক্রমণ শানালেন সেলিম

বছর ঘুরলেই ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোট৷ সেদিকে মাথায় রেখে সেলিম (Md Salim) বলছেন, ‘‘এরা ক্ষমতায় বসার পর থেকে গ্রাম সংসদ কমিটির বৈঠক ডাকে না৷ কাদের টাকা কাদের ঘরে গিয়েছে, সব রিপোর্ট আমরা জোগাড় করেছি৷ এই লুঠের বিরুদ্ধে আমরা পঞ্চায়েতে লড়ব৷ ওরা হিন্দু মুসলমানকে ভাগ করার চেষ্টা করছে৷ মানুষ এককাট্টা হলে তবেই পঞ্চায়েতের লুঠ রুখে দেওয়া যাবে৷ তাই আরও বেশি করে কর্মীদের মানুষের কাছে যেতে বলছি৷’’








