আরও জটিল হচ্ছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। রবিবার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন ঘিরে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সকাল থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত, সেই সংঘর্ষ-এ অন্তত ৩২ জন মারা গিয়েছেন। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে মনে করছেন অনেকেই। কোটা আ্ন্দোলনকারীদের সঙ্গে সদ্য আলোচনায় বসতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শখ হাসিনা। তবে, সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে শনিবারই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র মঞ্চ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি করে।
ডাক দেয় অসহযোগ আন্দোলনের। রবিবার সকাল হতেই ঢাকা সহ বাংলাদেশের একাধিক জায়গায় অসহযোগ আন্দোলন ঘিরে হিংসার আঁচ ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে আবার সেখানে কার্ফু জারি করা হচ্ছে। আজ, সন্ধ্যা ৬টা থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য জারি হচ্ছে কার্ফু। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা সহ সব বিভাগীয় সদর, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা সদর এবং উপজেলা সদরে তা বলবৎ করা থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জনসংযোগ আধিকারিক মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরুর পরে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষে ২০০ জনের বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজন শিশু এবং পড়ুয়াও আছে। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার জন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে রবিবার সকাল থেকে ৫৬ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আন্দোলন নিয়ে এ বার মুখ খুলল শেখ হাসিনার সরকার।
দেশের তথ্য এবং সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ আলি আরাফত জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে চান তাঁরা। হিংসা দমনে জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। এই আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশের হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, হিংসা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে পারে। প্রয়োজনে গুলি চালাতে পারে। তবে হিংসার ঘটনা না ঘটলে গুলি চালানো যাবে না। সব মিলিয়ে ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ। আবার নতুন করে শুরু হল অশান্তি।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



