নজরবন্দি ব্যুরো: ফের পাহাড়ে ধস! ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তর সিকিমের বিভিন্ন রাস্তায় নেমেছে ধস। রাস্তায় আটকে পড়েছেন ২ হাজারেরও বেশি পর্যটক। অন্যদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে ফুঁসছে উত্তরের বিভিন্ন নদী। জানা যাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর সিকিমে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সেখানে দেশের ১৯৭৫ জন পর্যটক এবং ৩৬ জন বিদেশি পর্যটক হোটেলে আটকে পড়েছেন।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য-কমিশন


উত্তর সিকিমের রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, সেখানে ধসের কারণে মনগন থেকে চুংথাং পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। মনগন জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ধসের কারণে বেশ কয়েকটি রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে। ছাঙ্গু লেক, নাথুলা, বাবা মন্দিরের মতো জনপ্রিয় পর্যটনস্থলগুলি যাওয়ার সংযোগকারী রাস্তায় জওহরলাল নেহরু মর্গের কাছেও ধস নেমেছে। এহেন পরিস্থিতিতে সেখানে প্রায় দেশে ২ হাজার জন পর্যটকের পাশাপাশি ৩৬ জন বিদেশি পর্যটক লাচেন এবং লাচুং এলাকায় হোটেলে আটকে পড়েছেন। বিদেশিদের মধ্যে রয়েছেন ২৩ জন বাংলাদেশি, ১০ জন আমেরিকান এবং ৩ জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক।

প্রসঙ্গত, পর্যটকদের কাছে অন্যতম প্রিয় জায়গা সিকিম। প্রতিবছর বাংলার মানুষ পাহাড়ি সৌন্দর্য উপভোগ করতে সিকিমে ভিড় জমান। শুধু পশ্চিমবাংলার মানুষই নয়, দেশ-বিদেশ থেকেও লোকজন সেই রাজ্যে ঘুরতে যায়। আর এবার প্রকৃতির রোষে বিপাকে পড়লেন ওই পর্যটকরা। সূত্রের খবর, উত্তর সিকিমের বিভিন্ন রাস্তায় ধসের কারণে ৩৪৫টি গাড়ি এবং ১১টি বাইক আটকে পড়েছে। বৃষ্টি থামলেই রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।



উল্লেখ্য, এর আগেও বড়সড় বিপর্যয় হয় সিকিমে। ভয়াবহ তুষারধসের কবলে পড়ে সিকিমের গ্যাংটক! মোট ১৭ মাইল এলাকা, গ্যাংটক-নাথুলা পাসের সংযোগকারী, জওহরলাল নেহরু সড়কের উপর ধস নেমেছিল। আর এই ধসের জেরেই বহু পর্যটকের মত্যুও হয়। ঘটনায় আহতও হন বেশ কয়েকজন। যদিওবা সিকিম পুলিশ, সিকিমের ট্র্যাভেল অ্যাসোসিয়েশন, পর্যটন দফতর, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং যানবাহন চালকদের তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।
ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ে ধস, বিভিন্ন রাস্তায় আটকে বেশ কয়েকটি গাড়ি








