প্রয়াত মনীশে-র বাড়িতে মুকুল, মেনন, বিজয়বর্গীয়। CBI তদন্তের দাবি।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: প্রয়াত মনীশে-র বাড়িতে মুকুল, মেনন, বিজয়বর্গীয়। CBI তদন্তের দাবি। রবিবার ভরা সন্ধ্যের সময় টিটাগড় থানার ১০০ মিটার দূরত্বতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলেন বিজেপি–র ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সদস্য মণীশ শুক্ল। প্রতিবাদে ১২ ঘন্টার বারাকপুর বনধ ডেকেছে বিজেপি। এখন চলছে বন্ধ অবরোধ। ব্যারাকপুর চিড়িয়ামোড়, ভাটপাড়া রিলায়েন্স জুট মিল, আমডাঙা মন্দৌরি, নৈহাটি গৌরীপুর চৌমাথা, এবং পানপুর মোড়ে অবরোধ চলছে। অন্যদিকে প্রয়াত বিজেপি নেতার বাড়িতে পৌঁছে গেছেন বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ ‘UP-বিহারের মত মাফিয়ারাজ চলছে বাংলায়’! দল কে অস্বস্তিতে ফেলে মন্তব্য দিলীপের!

প্রয়াত মনীশে-র বাড়িতে মুকুল, মেনন, বিজয়বর্গীয়। মনীশের বাড়তে সকালেই পৌঁছেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়। বিজেপি–র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা রাজ্য বিজেপি–র কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। অন্যতম পর্যবেক্ষন অরবিন্দ মেনন। আছেন অর্জুন সিং। কৈলাস বিজয়বর্গীয় এই হত্যার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

কৈলাস বিজয়বর্গীয়র অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লকে টিটাগড় থানার সামনে গুলি করে খুন করেছে। পুলিশের ওপর তাঁদের আর কোনও বিশ্বাস নেই। কারণ, এর আগে সাংসদ অর্জুন সিং তাঁকে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে ব্যারাকপুরে তাঁর এবং তাঁর কর্মীদের জীবন নিয়ে সংশয় রয়েছে।

এদিকে, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা অনুযায়ী, রবিবার সন্ধে সাতটা নাগাদ টিটাগড় থানার উলটোদিকে বিজেপি কার্যালয় আসেন মণীশ। অন্যদিন তাঁর সঙ্গে কয়েকজন দেহরক্ষী থাকলেও, রবিবার কেউ ছিলেন না। পার্টি অফিসে ঢুকে তিনি চা আনতে বলেন কর্মীদের। সুযোগ বুঝে দুটি বাইকে বারাকপুরের দিক থেকে আসা চার জন দুষ্কৃতী সেখানে ঢোকে। মোটর সাইকেলে চেপে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে পর পর গুলি করে মণীশকে লক্ষ্য করে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তাঁর সঙ্গী গোবিন্দ। দুষ্কৃতীরা ফের বাইক নিয়ে শ্যামবাজারের দিকে চম্পট দেয়।

এদিকে সাংসদ অর্জুন সিং আজ সকালে প্রশ্ন তোলেন, হত্যার ঘটনা ঘটলেই থানার সিসি ক্যামেরা খারাপ থাকে কেন! তাঁর কথায়, কার্বাইন বা নাইন এমএম পিস্তল পুলিশ ব্যাবহার করে! আসলে রক্ষকই ভক্ষক। অন্যদিকে বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ আজ সকালে বলেন, উত্তরপ্রদেশ বিহারের মত মাফিয়ারাজ চলছে বাংলায়!

তদন্তে নেমে প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই এলাকায় ভিড়ের মাঝে লুকিয়ে মণীশ শুক্লার ওপর নজর রাখছিলেন কয়েকজন। মাস্কের আড়ালে মুখ ঢাকা থাকায় কারও কোনও সন্দেহ হয়নি। মণীশ পার্টি অফিসে একা হতেই এই নজরদার রা সিংন্যাল পাঠায় দুষ্কৃতীদের। তারপরেই দুষ্কৃতীরা এসে গুলি করে মনীশ কে। পুলিশ গুলি সংগ্রহ করেছে, অনুমান নাইন এমএম পিস্তল বা কার্বাইন ব্যবহার করা হয়েছে। যা সাধারণত সুপারি কিলাররা ব্যবহার করে। তদন্ত চলছে, কেউ গ্রেফতার হলে তবেই জানা যাবে আসল ঘটনা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর