নজরবন্দি ব্যুরো: ছেলের অবসাদের শিকার হলেন প্রৌঢ়া। মাকে খুনের পর থানায় এসে নিজেই আত্মসমর্পণ করেন অভিযুক্ত। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নারায়নপুরের পূর্বাচলে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ঠিক কি ঘটেছিল?
পূর্বাচল ২১ নম্বর লেনে মা লক্ষ্মী সাঁতরার সঙ্গে থাকতেন অভিযুক্ত সোমনাথ সাঁতরা। তিনি বিবাহিত কিন্তু রোজগার না থাকায় বাপের বাড়িতে গিয়ে থাকতেন সোমনাথের স্ত্রী। প্রৌঢ়া বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন। তাঁর সামান্য উপার্জনেই সংসার চলত।

মাকে খুন করে থানার সামনে ঘুরছিলেন, মধ্যরাতে থানায় আত্মসমর্পণ যুবকের

অনটনের সংসার হওয়া সত্ত্বেও প্রায়ই মায়ের কাছ থেকে টাকা চাইতেন সোমনাথ। এনিয়ে বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকত। সোমবারও একই কারণে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। হঠাৎ রাগের বশে মায়ের গলা টিপে ধরেন তিনি। শ্বাস আটকে মৃত্যু হয় প্রৌঢ়ার। অভিযুক্ত পুলিশকে জানিয়েছেন, খুনের পর কিছুক্ষণ ঘরেই বসে থাকেন তিনি। এরপর পোশাক পরিবর্তন করে থানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন।

পুলিশ সূত্রে খবর, রাত দেড়টা নাগাদ এক যুবককে নারায়ণপুর থানার সামনে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। এক কর্তব্যরত পুলিশ এসে প্রশ্ন করতেই সোমনাথ বলেন, “মাকে খুন করে এসেছি, বডি বাড়িতে…”। এই কথা শুনে রীতিমত হতভম্ভ হয়ে যায় পুলিশ। দ্রুত পুলিশের একটি দল যুবকের বাড়িতে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করেন। প্রাথমিক অনুমান, মানসিক অবসাদ থেকেই এ কাজ করেছেন অভিযুক্ত।




