নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগেই দলে থেকে ঠিকঠাক কাজ করতে না পারার জন্য ঘাসফুল শিবির ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে টিকিট পেয়ে গেরুয়া শিবিরের জার্সিতে লড়েছিলেন। সভা থেকে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সময়ের স্রোতে ভেসে গিয়েছে রাজীবের আশা আকাঙ্খা। এখন তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া তিনি। আজ ভোট শেষে জানালেন, ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ভবানীপুরে জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস ছাড়ছেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর, প্রদেশ সভাপতির পদে বহাল থাকছেন সিধু!


এদিন সংবাদ্মাধ্যমে তিনি বলেন, “এরাজ্যে গত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির মুখ দেখেই ২১৩টা আসনে তৃণমূলকে জয়ী করেছেন সাধারণ মানুষ। ফলে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ের মার্জিন আরও বাড়বে। এর আগের নির্বাচনেও এই কেন্দ্রে যারা তৃণমূলকে ভোট দেননি তাঁরাও এবার দু’হাত ভরেই মমতাকে ভোট দেবেন।” তাঁর দাবি, ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ভবানীপুরে জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই দাবি অবশ্য রাজীবের নতুন নয়। ভবানীপুরে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরই তিনি বলেছিলেন, ‘ভোটের প্রচারে বিভেদের রাজনীতি, ধর্মীয় বিভাজনকে ইস্যু হিসেবে তুলে ধরাকে ভালভাবে নেয়নি বাংলার মানুষ। যাঁকে দেখে বাংলার মানুষ ২১৩টি আসন দিয়েছে, তাঁকে বেগম, খালা বলা শোভনীয় নয়।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে তাঁর বক্তব্য, উপনির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হবেন দিদি, দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে তাঁর।
৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ভবানীপুরে জিতবেন মমতা, তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া রাজীব!

উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটে বিজেপি এবং নিজের ভরাডুবি হওয়ার পর থেকেই তিনি তৃণমূলে ‘ঘর ওয়াপসি’র আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে কুণাল ঘোষের শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাৎ। মমতার মনজয়ে চেষ্টার খামতি রাখেননি বিজেপি নেতা। তৃণমূলে ফিরে জনসেবার প্রহর গুনছেন তিনি। কিন্তু কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। তৃণমূলে তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়া নিয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন হাওড়ার নেতারা।









