নজরবন্দি ব্যুরো: ‘দলবদলু’ বিধায়কদের অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘দলবদলু’ বিধায়কদের অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আগামী দু’দিনের মধ্যেই তাঁদের বিধায়কপদে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, অন্যদল থেকে তৃণমূলে আসা বিধায়কদের উদ্দেশ্যে শনিবার এই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।


সোমবারে মধ্যেই তাদের ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ মিলেছে। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনের পর কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট থেকে একাধিক বিধায়ক শাসকদলে নাম লিখিয়েছিলেন। সেই তালিকায় নাম রয়েছে মালদার রতুয়ার কংগ্রেস বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়, বাদুড়িয়ার কাজি আবদুর রহিম, নদিয়ার রানাঘাট পশ্চিমের বিধায়ক শঙ্কর সিং, বসিরহাট উত্তরের সিপিআইএম বিধায়ক রফিকুল ইসলাম, বাঁকুড়ার কংগ্রেস বিধায়ক শম্পা দরিয়া, দূর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, শান্তিপুরের কংগ্রেস বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য।
অন্যদিকে, মানস ভুঁইয়া, আবু তাহের ও অপূর্ব সরকারেরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেও গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করার জন্য বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তাঁরা। এই সমস্ত দলত্যাগী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করার জন্য কংগ্রেস পরিষদীয় দলনেতা আবদুল মান্নান ও বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী একাধিক বার চিঠি দিয়েছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। কিন্তু বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। আসন্ন বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় নাম রয়েছে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিধায়কের নাম। নির্বাচনের প্রচার যাতে কোন রকম প্রভাব না পরে সেই কারণেই বিধায়কদের ইস্তফার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
‘দলবদলু’ বিধায়কদের অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্দেশকে অর্থহীন বলে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘এখন ইস্তফা দেওয়া আর না দেওয়া সমান। তৃণমূল নেতৃত্বের এই বিলম্বিত বোধোদয় শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা লাভের জন্য।’









