নজরবন্দি ব্যুরো: আদিবাসী মনজয়ে আলিপুরদুয়ারে মমতা। আজ আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার তৃণমূল কর্মীরা এই সভায় যোগ দেবেন। আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডের সভা থেকে মমতা বলেন, ‘যারা লোভী, ভোগী তাঁদের জন্য রাস্তা খোলা, চলে যান। তৃণমূলে যাঁরা আছেন শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে। তৃণমূলের টিকিট টাকা দিয়ে বিক্রি হয় না। তৃণমূলের টিকিট পেতে লবি করতে হয় না। তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়কদের টাকা দিয়ে কেনা যায় না। বিজেপি লোভ-ভোগে ভরে গেছে।’
আরও পড়ুন:এবার রেশন তুলতে গেলে ওটিপি বাধ্যতামূলক, জানাল কেন্দ্র


দেড়মাসের মধ্যে দু’দুবার উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামীকালই তাঁর কলকাতায় ফেরার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার ফালাকাটার সভায় লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলকে না ফেরানোর আর্জি জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গ পুনর্দখলে মরিয়া তৃণমূল। লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গের ৮টির মধ্যে ৭টি আসনই দখল করেছে বিজেপি। তাই এবার কোমরবেঁধে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল।
কেন্দ্রের বাজেটকে তোপ দিয়ে মমতা বলেন, ‘পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে। কী বলছে ৬৫০ কিমি রাস্তা করে দেবে,আমরা ৮৫ হাজার কিমি রাস্তা তৈরি করে দিয়েছি। নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ হয়েছে।‘ বিজেপি সরকারকে আত্রুমণ করে তিনি বলেন, ‘এনপিআর করতে দেব না।
আমার কাছে বাঙালি-অবাঙালি কোনও বিভেদ নেই। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, দার্জিলিং, তরাই হোক আমি সবাইকে নিয়ে চলি। কিন্তু একটা কথা মনে রাখা দরকার গুজরাত কোনওদিন বাংলা শাসন করবে। বাংলার মানুষেরা বাংলা শাসন করবে। বিহারি আমাদের ভাই বোন। রাজবংশী, কামতাপুরী, আদিবাসীরা সবাই ভাই বোন।‘


আদিবাসী মনজয়ে আলিপুরদুয়ারে মমতা। উল্লেখ্য, গত লোকসভা ভোটে উত্তরবঙ্গের এই তিন জেলাতেই খারাপ ফল করে তৃণমূল। রাজনীতিবিদদের মতে , বিধানসভা ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটে ফল অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনের মধ্যে বিজেপির ৩৭টি তৃণমূল ১৩টি আসনে এগিয়ে এই প্রেক্ষাপটেই ফের উত্তরবঙ্গ সফরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ফালাকাটায় গণবিবাহের অনুষ্ঠানে পাত্র-পাত্রীদের হাতে তুলে দেন উপহার সামগ্রী। আলিপুরদুয়ারের ২৫ শতাংশ বাসিন্দা আদিবাসী সম্প্রদায়ের।







