নজরবন্দি ব্যুরোঃ ত্রাণ নিয়ে কোন বঞ্চনা চান না, ঝড়ের রাত কন্ট্রোল রুম থেকেই মনিটরিং করেছিলেন রাজ্যের পরিস্থিতি। তার পরেই তিনি জানিয়েছিলেন সরেজমিনে দেখে আসবেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। আজ কাল দুদিন ধরে ঘুরে দেখবেন হিঙ্গলগঞ্জ থেকে দিঘা। তার মধ্যেই আজ সকাল হিঙ্গলগঞ্জ পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই যাবেন সাগরে।
আরও পড়ুনঃ আমন্ত্রিত শুভেন্দু অথচ নাম নেই দিলীপের! রাজ্য সভাপতির ‘অন্য কাজ’ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
ইয়াসের প্রভাবে লণ্ডভণ্ড হয়েছে উপকূলের এলাকা। ঝড়ের দাপটে যতটা ক্ষতি হয়েছে তার থেকে বেশি হয়েছে ভরা কোটালে নদীর জল উপছে গ্রামে ঢোকায়। ভেঙেছে ১০০ এর বেশি বাঁধ, একপ্রকার ধুয়ে গেছে রাস্তা ঘাট। গতকালই নবান্ন থেকে বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন ক্ষতিগ্রস্তরা সাহায্য পাবে, তবে আমফান থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার তিনি আর দলের কর্মীদের হাতে ত্রাণের দায়িত্ব দেননি। তা রেখেছেন প্রশাসন এবং নিজের হাতে।
কালকের পর আজ হিঙ্গলগঞ্জে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ফের ‘দুয়ারে ত্রাণ’ এর কথা বলেছেন। সঙ্গে স্থানীয় সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন এই কঠিন সময়ে কোন ছোট খাটো বিষয় নিয়ে ইস্যু না করতে, সঙ্গে বার্তা দেন দুর্গতদের ত্রিপল দিতে যেন কার্পণ্য না হয়। সবাইকে মাস্ক, ওয়াটার পাউচ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। ৫৫ টি বাঁধ ভেঙেছে বসিরহাট-হিঙ্গলগঞ্জ এলাকায় সেগুলিও দ্রুত মেরামতির নির্দেশ দিয়ে ফিরেছেন মমতা।
হিঙ্গলগঞ্জ কলেজের প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই জানিয়ে দিয়েছেন ত্রান নিয়ে কোন প্রকার বঞ্চনা সহ্য করবেন না তিনি। সকলে যেন ঠিক মতো ত্রাণ, খাবার, ওষুধ পান সেদিকে খ্যেয়ালের জন্য প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। সঙ্গে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন গর্ভবতী ও প্রসূতিদের দিকে।



