নজরবন্দি ব্যুরোঃ দূর্গাপুজোর মুখে একাধিক কর্মসংস্থানের দিশা দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার খড়গপুর শহরে উৎকর্ষ বাংলার একাধিক চাকরির বাজার ও বিস্তারের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাশফুলের লেপ, বালিশ থেকে তেলেভাজা সবটাই কীভাবে করতে হবে? পুজোর সময় চা-বিস্কুট-তেলেভাজার ব্যবসা, কীভাবে করবেন? বাতলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ SSC: দুর্নীতির মাথা খুঁজতে একযোগে দিল্লী ও কলকাতার একাধিক স্থানে তল্লাশি CBI-এর।


এদিনের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ গ্রামে গ্রামে অনেক কিছু হতে পারে। আমার মামার বাড়ি গ্রামে। সেখানে যখন যেতাম দেখতাম পাকের মধ্যে পড়ে থাকে ওই কচুরিপাতা যা দিয়ে মাদুরও তৈরি হয়। আপনারা কি জানেন কচুরিপানা দিয়ে এত সুন্দরভাবে সেটাকে শুকিয়ে ব্যাগ তৈরি করছে, খাবারের থালা তৈরি করছে। আগে শালপাতার থালাতে খাবার দিত। এখন এই নতুন থালাতে খাবার দিচ্ছে। ভাবতে পারেন?

এর আগে হাওড়ার সভা থেকে কাশফুলের বালিশের কথা উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারেও একই কথা উল্লেখ করলেন। তিনি বলেন, ফোটা কাশফুলগুলোকে এককাট্টা করে, তুলো মিশিয়ে লেপ, বালিশ তৈরি হতে পারে। চা-বিস্কুট, ঘুগনি, তেলেভাজার ব্যবসা করুন, পুজো আসছে, দিয়ে কুলোতে পারবেন না।
এদিনের মঞ্চ থেকে কাশফুল নিয়ে শিল্পের কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার আরেকটা আইডিয়া আছে, এই যে কাশফুল হয় বাংলায়। পুজোর একমাস আগে থেকে দেখতে পাওয়া যায়। পুজোর একমাস পর উড়ে চলে যায়। এই কাশফুলকে যদি টেকনিক্যালি, কেমিক্যালি কী দিতে হবে আমি জানি না, সেটা রিসার্চ করে দেখে আমরা বালিশ, বালাপোশ ওইগুলি তৈরি হতে পারে দারুণ ভালভাবে। যাঁদের আর্থিক ক্ষমতা আছে তারা কিন্তু এইগুলি কিনবেন।


একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে ৮৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ২ লক্ষ ৬৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। ১০ হাজার প্রফেসর নিয়োগ করা হয়েছে। পুজোর আগে সব জেলা মিলিয়ে ৩০ হাজার চাকরির সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
পুজোর সময় চা-বিস্কুট-তেলেভাজার ব্যবসা, বিশেষ পরামর্শ মমতার

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ১ লক্ষের বেশি যুবক চাকরি পাবেন দেউচা পাচমিতে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা খনি হচ্ছে। আসানসোলে সেল গ্যাস, ডানকুনি থেকে পানাগর বড়জোরা থেকে বাঁকুড়া হয়ে পুরুলিয়া পর্যন্ত শিল্প করিডোর, জঙ্গল মহলে ২২২৫ বিঘা জমিতে ৭২ লক্ষ টাকার শিল্প হচ্ছে, তাজপুরে বন্দর তৈরি হচ্ছে। দিঘা সুন্দরীতে তিনটে সেতু, একটানা ৭ কিলোমিটার হেঁটে ঘুরতে পারবেন। লেদার ইন্ডাস্ট্রিতে কয়েক লক্ষ যুবক চাকরি পেয়েছে। ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান হয়েছে। এটাই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়।







