সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নিয়ে এবার নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে এই ডিজিটাল ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের বার্তা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়— দু’জনেই এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।
সোমবার এক্স-এ করা পোস্টে ডেরেক লেখেন, গত এক সপ্তাহ ধরে মমতা ও অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং তাঁরা ‘ন্যায়ের লড়াই’ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সেই পোস্টেই তিনি উল্লেখ করেন, দু’জনেই ‘ককরোচ’-এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।


এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। একাংশের মতে, এটি মূলত একটি প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তা, যা ডিজিটাল প্রতিবাদ ও বিরোধী রাজনীতির ভাষাকে সমর্থনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও তৃণমূলের তরফে এ নিয়ে আলাদা কোনও বিস্তৃত রাজনৈতিক অবস্থান জানানো হয়নি।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি আসলে একটি ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল আন্দোলন, যা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপিপ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বেকারত্ব, যুবসমাজের হতাশা এবং রাজনৈতিক আলোচনার ভাষা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এই প্ল্যাটফর্মের উত্থান।
ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন বা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন একাধিক পরিচিত মুখ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অখিলেশ যাদব, কংগ্রেস নেতা শশী থারুর, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ধ্রুব রাঠী, পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক, বিশিষ্ট আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণরা। ।


প্রসঙ্গত, সিজেপি নিজেকে মূলধারার রাজনৈতিক দল নয়, বরং ব্যঙ্গ, মিম সংস্কৃতি এবং অনলাইন জনমতকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি সামাজিক-রাজনৈতিক ডিজিটাল আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



