মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সূচনা হল। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই পদক্ষেপকে ‘পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলেও অভিযোগ তুলেছে প্রাক্তন শাসকদল।
বুধবার রাতে করা এক পোস্টে তৃণমূল কংগ্রেস সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলে, ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দলের দাবি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বলয়ের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের সরিয়ে দেওয়া কোনও সাধারণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়।
তৃণমূলের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের হঠাৎ সরিয়ে দেওয়ার ফলে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দলের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বিচ্ছিন্ন ও ঝুঁকির মুখে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
A shocking new low in POLITICAL VENDETTA.
What exactly are you plotting, @SuvenduWB?
Removing the long-serving security personnel protecting @MamataOfficial is not administrative action, it is a CALCULATED MOVE TO ISOLATE AND ENDANGER HER.
সদ্য প্রকাশিত
জামাই ষষ্ঠীর পূজার নিয়ম: কীভাবে করবেন ষষ্ঠী দেবীর পুজো? জেনে নিন সম্পূর্ণ বিধি
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কাঁচরাপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলার, শুরু পুলিশের তদন্তYour obsession with vendetta politics… pic.twitter.com/GpHlfJH6S9
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) June 17, 2026
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তৃণমূল আরও দাবি করেছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তুলেছে প্রাক্তন শাসকদল।
দলের তরফে প্রকাশিত পোস্টে বলা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক প্রয়োজনের তুলনায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই বেশি মনে হচ্ছে। তৃণমূলের মতে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবেশে এই ঘটনা নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। একইভাবে শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য প্রকাশ্যে আসেনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ঘিরে তৃণমূলের এই অভিযোগ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। সরকারি ব্যাখ্যা সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।



