পালং ৩০০, বেগুন ১০০ টাকা, সজনা ডাটা ২০০ টাকা! কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করেই বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি করছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। বর্ষা আসার পরেও কেন সবজির দাম কমবে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এর পরেই ১০ দিনের মধ্যে সবজির দাম কমাতে নির্দেশ মমতার! তিনি বলেন, কীভাবে কমাবেন জানি না। কিন্তু দাম কমাতে হবে। আলু, পেয়াঁজ, ঝিঙে, শশা, কাঁচালঙ্কা, বেগুন, সজনা ডাটা সহ বাজারে অধিকাংশ সবজির দামই মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।



অধিকাংশ সবজির দামই ৮০ থেকে ১০০ টাকা। সবজির এহেন দাম বৃদ্ধিতে নাজেহাল বঙ্গবাসী। তা নিয়েই চরম ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। বাজারে সবজির দাম কার্যত অগ্নিমূল্য। বাজারের ব্যাগ ভরাতে গিয়ে রীতিমত নাভিশ্বাস অবস্থা মধ্যবিত্তের। ঊর্ধ্বমুখী প্রায় প্রতিটা সবজির বাজার মূল্য। আগে বাজারে যে সমস্ত সবজি অল্প দামে পাওয়া যেত, সেই সব সবজির দাম এক ধাক্কায় বেড়েছে অনেকটাই। পালং ৩০০, বেগুন ১০০, সজনা ডাটা ২০০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত পাঁচ বছরের রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে এবছরের সবজির দাম। মাথায় হাত কৃষক-সবজি বিক্রেতা থেকে সাধারণ মানুষের। শাক সবজির এই আগুন দাম কমাতে এবার তৎপর হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর এবং বাজার কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, ১০ দিনের মধ্যে দাম কমাতে হবে। কীভাবে কমাবেন, সেটা জানি না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যে হারে শাক সবজির দাম বেড়েছে তাতে মানুষ বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছে।
রাজ্য সরকারের তৈরি করে দেওয়া টাস্ক ফোর্সের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা। তিনি বলেন, ‘ফড়েদের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে টাস্ক ফোর্স তৈরি করে দিয়েছিলাম। বিভিন্ন সরকারি দফতর,পুলিশ, বাজার কমিটির সদস্যরা ছিলেন। তাঁরা কি এখন মিটিং করে? কেউ কিছু দেখে না৷ আজকে থেকে নির্দেশ দিচ্ছি, সাত দিন অন্তর এই বৈঠক করতে হবে।’


কীভাবে কমাবেন, সেটা জানি না। ১০ দিনের মধ্যে সবজির দাম কমাতে নির্দেশ মমতার

পাশাপশি, কেন্দ্রের উপরেও মূল্যবৃদ্ধির দায় চাপিয়েছেন মু্খ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, ‘সারা দেশ জুড়ে নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয়ের দাম বেড়ে যাচ্ছে। এটা তো রাজ্যের বিষয় নয়, কেন্দ্রের বিষয়। কেন্দ্র পুরোপুরি ব্যার্থ দাম নিয়ন্ত্রণে। কেউ যদি চোখ বন্ধ করে থাকে আমরা কেন চোখ খোলাবো না? শেষ ১০ দিনে দাম প্রচুর বেড়েছে। হয়তো ইলেকশন বন্ডের টাকা তুলছে। শেষ ৩ মাসে যে যার মতো টাকা তুলেছে। তখন তো সবকিছুই ইলেকশন কমিশনের অধীনে ছিল।’







