নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে লাগাতার রাজ্যের শাসক দলকে কাঠগোড়ায় তুলে চলেছেন বিরোধী পক্ষের নেতারা। এমনকি তৃণমূলকে ‘চোরেদের দল’ বলে কটাক্ষ করছেন বাম-বিজেপি-কংগ্রেস সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি। এরই মধ্যে সোমবার নাম না করে শুভেন্দুকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শিক্ষক নিয়োগে পুরুলিয়ার কোটাই কেটে দিয়েছিল। অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও পড়ুনঃ SLST: আন্দোলনেও মিলছে না সাড়া, এখন দিদিকে বলো কর্মসূচি নিলেন হবু শিক্ষকরা


তিনি বলেন, আগে মানুষ একমুঠো ভাত পেতেন না। পিঁপড়ে খেয়ে জীবনধারণ করতেন আমি দেখে এসেছি। আজ মানুষের ঘরে বিনা পয়সায় চাল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এরপরেও বলতে লজ্জা করে না! গিয়ে বলবে এরা সব চোর। তুই বড় ডাকাত। আমরা যদি চোর হই তোরা তাহলে ডাকাত। নিজেরা লুকিয়ে লুকিয়ে কি করছে। আমি তো একদিকে খুশি কয়েকটা ডাকাত গদ্দার আমার দল থেকে বিদায় নিয়েছে। এই ডাকাত গদ্দাররাই এই কাজগুলো করেছিল।

এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুরুলিয়ার কোটাই কেটে দিয়েছিল। একসময় দেখলাম পুরুলিয়ার ছেলেমেয়েরা চাকরি পাচ্ছে না। মাননীয় আদালতকে দু পায়ে প্রণাম করে বলব একবার খজ নিয়ে দেখুন। অন্যরা অন্যায় করলে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেবেন। আমরা ন্যায় বিচারে বিশ্বাস করি। কিন্তু একবারও জেনেছেন যিনি আজকে সব কিছুর বিশরদ হয়ে বলছেন ১০০ দিনের টাকা দেবে না। আবাসনের টাকা দেবে না। রাস্তার টাকা দেবে না। যেন মনে হচ্ছে নিজের পকেটের টাকা দিচ্ছে। টাকা তো জনগণের।
তাঁর সংযোজন, মাছের তেলে মাছ ভেজে সেটুকুও খেতে দেবো না। উল্টোপাল্টা কথা বলে বেড়াবে। যখন শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল আমি কোনদিন কিছু বলিনি। কারণ, আমার বলা শোভা পায় না। আমি আশা করি ভালো বিচার হবে। সাময়িকভাবে কেউ কাউকে ভুল বুঝতেই পারেন। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তাঁর দায় দল নেবে না। কিন্তু পুরুলিয়ার ছেলে মেয়েদের বঞ্চিত করা হয়েছিল। পুরুলিয়ার কোটা নিজের পকেটে কেউ কেউ ঢুকিয়ে নিয়েছিলেন। কিসের বিনিময়? নাই বা বললাম।


শিক্ষক নিয়োগে পুরুলিয়ার কোটাই কেটে দিয়েছিল, মমতার আক্রমণে কে?

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সব জেলার একটা করে কোটা থাকে। কেন পুরুলিয়ার ছেলে মেয়েরা বঞ্চিত হবে? তাঁর আন্দোলন করছিল। তারপর আমি নিজে গিয়ে পুরুলিয়ার ছেলেমেয়েদের জন্য কোটা বাড়িয়ে কাজের ব্যবস্থা করে দিলাম। সমস্ত সুবিধে বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র।







