বাড়ছে ওমিক্রনের সংখ্যা, স্কুল-কলেজ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশজুড়ে বাড়ছে ওমিক্রনের সংখ্যা। বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও। করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট নিয়ে আশঙ্কায় চিকিৎসকরা। এই সময় স্কুল-কলেজ কী চালু রাখা সম্ভব? সে নিয়ে জেলা শাসকদের কাছে রিপোর্ট চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোভিড বাড়লে ফের বন্ধের মুখে রাজ্যের স্কুল-কলেজ।

আরও পড়ুনঃ Dilip Ghosh : গঙ্গাসাগর মেলায় কোনো ডিসিপ্লিন নেই, সরকার কে নিশানা দিলীপের

বুধবার গঙ্গাসাগরে প্রশাসনিক সভা করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রাজ্যের শিক্ষা সচিবকে প্রশ্ন করেন, ‘স্কুল কলেজ খোলা রাখার মতো পরিস্থিতি রয়েছে কী? তাহলে তোমরা দেখে নাও। জানালেন, যদিও কোভিড বাড়ে তাহলে ফের কিছু দিনের জন্য স্কুল কলেজ বন্ধ করে দিতে হবে।

একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজনে ৫০% ওয়ার্ক লোককে ফ্রম হোম করাতে হবে। ৩ জানুয়ারি থেকে কোভিড বিধি পর্যালোচনা করতে হবে। প্রয়োজনে ৩ জানুয়ারি থেকে কলকাতায় ওয়ার্ড ভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হোক। করোনা বাড়ছে, ওমিক্রন বেশি করে ছড়াচ্ছে। যাবতীয় সতর্কতা মানতে হবে, কোভিড বিধি পালন করতে হবে।’’

দীর্ঘ দেড় বছর পর চলতি বছরের নভেম্বর মাস থেকে খুলে গেছে রাজ্যের স্কুল কলেজ গুলি। তবে সেখানেও করোনা বিধি মেনে চলছে পঠনপাঠন। তবে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেনীর ক্লাস চালু হয়েছে এখন। আগামী বছরের শুরু থেকে সমস্ত ক্লাসের পঠনপাঠন চালু করার পরিকল্পনা ছিল সরকারের। কিন্তু বাড়তে থাকা ওমিক্রন সেই সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে। তাই শিক্ষাসচিবকে বিষয়টি পর্যালোচনা করার নির্দেশ দলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বাড়ছে ওমিক্রনের সংখ্যা, সমান্তরালে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও 

বাড়ছে ওমিক্রনের সংখ্যা, সমান্তরালে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও 
বাড়ছে ওমিক্রনের সংখ্যা, সমান্তরালে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও

বুধবার জানা গিয়েছে রায়গঞ্জের একটি স্কুলে আক্রান্ত হয়েছে ৩ জন পড়ুয়া। যা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গতকাল একজন ছাত্রীর শরীরে করোনা পজিটিভ আসে। এরপর টেস্ট করলে আরও দুই জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ইতিমধ্যে স্কুলের পঠনপাঠন বন্ধ করে চলছে স্যানিটাইজেশনের কাজ।

কিছুদিন আগে জয়নগর থানার দক্ষিণ বারাসাত এলাকায় দুই জন শিক্ষিকার দেহে করোনার উপসর্গ মেলে। দেহে করোনা নিয়েই ক্লাস নিতে থাকেন ওই দুই শিক্ষিকা। পরে তাঁদেরকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকে বাড়তি সতর্কতা রয়েছে ওই স্কুলে। দিনে দুইবার করে চলছে স্যানিটাইজেশনের কাজ।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত