নজরবন্দি ব্যুরো: ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার। ‘দিদির দূত’, ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির পর বৃহস্পতিবার নবান্নে নতুন কর্মসূচি ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ মানুষ এর মাধ্যমে এলাকার বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরতে পারবেন। ফোনের মাধ্যমেই যোগাযোগ করা যাবে। পঞ্চায়েত ভোটে ঘাঁটি শক্ত করতে শাসক দলের এই উদ্যোগ? এই প্রশ্নই উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুন: Anubrata Mandal ঘনিষ্ঠের বাড়িতে CBI হানা, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীকে
তৃণমূলের অন্দরমহল সূত্রে খবর, ফোনের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ কর্মসূচিতে অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবে। গত লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল নবান্নে গ্রিভান্স সেল চালু করে। আমজনতাকে তাঁদের অভিযোগ জানানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয় ‘দিদিকে বলো’। এরপর বিধানসভার নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। কিন্তু অভিযোগ থামেনি।

নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে গরুপাচার, কয়লাপাচার, আবাস দুর্নীতির- বিভিন্ন কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধীরা একের পর এক নিশানা তাক করছে। এরইমধ্যে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়লাভ করেছিল কংগ্রেস। যদিও তিনমাসের মাথায় সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস তৃণমূল যোগ দেন। তবুও সাগরদিঘি মডেল শাসক শিবিরের উদ্বেগ বাড়িয়েছিল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ‘এক ফোনে অভিষেক’।
‘দিদিকে বলো’র পর এবার ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’, নতুন কর্মসূচি মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে দুমাসের জেলা সফরে বেরিয়েছেন। বিভিন্ন জেলা ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলে জনসংযোগ বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনের আগে জনবিচ্ছিন্নতার সম্ভাবনা মুছে ফেলতে চায় তৃণমূল।




