নজরবন্দি ব্যুরো: ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কবলে পড়েছিল চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছিল উদ্ধারকাজ। শয়ে শয়ে মানুষের মৃতদেহ পড়েছিল রেললাইনে। কোনও ভাবেই কমছিল না মৃত্যুমিছিল। ঠিক যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। তবে এই মুহূর্তে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে এসেছে পরিস্থিতি। চলতে শুরু করেছে ট্রেন। কিন্তু এখনই সব দায়িত্ব শেষ হয়নি বলেই জানিয়েছিল রেলমন্ত্রী। নিখোঁজদের বাড়ি ফেরানো পর্যন্ত চলবে এই কাজ, এমটাই সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Coromandel Express: করমণ্ডল বিপর্যয়ের তদন্তে দুর্ঘটনাস্থলে যেতে পারে CBI


অন্যদিকে, করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার জেরে প্রথম থেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্যুইটে দুঃখপ্রকাশ করার পাশাপাশি পাশে থাকার আশ্বাস দেব মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, শনিবার পৌঁছে যান ঘটনাস্থলে। সেখানে পুরো বিষয়টি পরিদর্শন করে দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের ঘোষণাও করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত ৭৩ জন বাংলার বাসিন্দাদের দেহ ফিরছে রাজ্যে ফিরেছে। আর সোমবার দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে টোলপ্লাজায় শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়। যদিও এখনও এই দুর্ঘটনায় আহত হয়ে কটকের বিভিন্ন হাসপাতালে ভরতি বাংলার বাসিন্দারা। তাই এবার তাঁদের দেখতে আগামীকাল ফের ওড়িশা যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, বুধবার মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী!



এদিন মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু দেওয়া হবে ৫ লক্ষ টাকা। তাছাড়াও পরিবার পিছু একজন পাবেন হোমগার্ডের চাকরিও পাবেন। এছাড়াও গুরুতর আহতরা ১ লক্ষ টাকা পাবেন। আর তার থেকে কম আহতরা যথাক্রমে পাবেন ৫০ ও ২৫ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, দুর্ঘটনায় যারা আহত হননি তবে ঘটনার জেরে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকার চেক। পাশাপাশি আগামী ৪ মাস ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে তাঁদের। সঙ্গে পাবেন মাসের প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিস।”
Coromandel-র দুর্ঘটনায় মৃতদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, বুধবার মৃত ও আহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী








