নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৬ মাসের মধ্যে উপ-নির্বাচন না হলেও মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। রাজ্যজুড়ে বিপুল ভাবে তৃণমূল জিতলেও নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সামান্য ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই জয়-পরাজয় প্রশ্নহীন নয়। হাইকোর্টে মামলাও হয়েছে নন্দীগ্রামের ভোট গণনা ইস্যুতে। এদিকে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী নন্দিগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বাবুল, ইঙ্গিত স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর! #Exclusive


তাই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকতে গেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথ নেওয়ার ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন জিতে বিধায়ক হতে হবে। কিন্তু যদি নির্বাচন না করানো যায় করোনা পরিস্থিতিতে? এই প্রশ্ন উঠছে অনেকের মধ্যেই। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীও সুর চড়িয়েছেন দ্রুত উপ নির্বাচন করানোর পক্ষে। তাঁর মতে যেখানে ৮ দফায় নির্বাচন হয়েছে, সেখানে এই মুহুর্তে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, এখন ১ দিনের সময় দিয়ে বাই-ইলেকশন করালে বেশি প্রভাব পড়বে না রাজ্যে।

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন গত ৫ মে। তারপর থেকে ৬ মাস অর্থাৎ ৪ নভেম্বর। অর্থাৎ ইতিমধ্যেই ৩ মাস অতিবাহিত হতে চলেছে। নির্বাচন করাতে হবে আগামী ৩ মাসের মধ্যেই। অন্যদিকে রাজ্যে ১১২টি পুরসভার নির্বাচনও বাকি রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর ও চন্দননগর কর্পোরেশনেরও মাথায় বসে রয়েছেন প্রশাসকরা। রাজ্যে নির্বাচন কমিশন কবে পুরসভার নির্বাচন করবে তা নিয়েও কোনও ঘোষণা করা হয়নি।


৬ মাসের মধ্যে উপ-নির্বাচন না হলেও মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৬ মাসের মধ্যে উপ-নির্বাচন না হলেও মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশিনের। তবে মন্ত্রীপদে শপথ নিয়েছে অথচ ৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হয়নি, এমন পরিস্থিতি কখনও হয়নি দেশে। আর যদি নির্বাচন নাও হয় তাহলেও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেক্ষেত্রে সমসীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর পদত্যাগ করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এবং তারপর পুনরায় শপথ নিতে হবে। যা পদত্যাগ করার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্ভব। অর্থাৎ ৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হোক বা না হোক মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।







