নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃহস্পতির বারবেলায় শিখাকে ফোন মমতার আর তাতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে ব্যাপক গুঞ্জন। বঙ্গ ভোটের আগে থেকেই জল্পনা ছিল, কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে আসতে পারেন শিখা মিত্র। যদিও ঘটেনি আদপে তা। উল্টে মাঝখান থেকে প্রার্থী তালিকায় শিখা মিত্রর নাম ঘোষণা করে বিপাকে পড়েছিল গেরুয়া শিবির।
আরও পড়ুনঃ তালিবান পতাকা নিয়ে স্বাধীনতা পালন, অন্যদিকে বাড়ছে তালিবান বিরোধী আন্দোলন।
তালিকা প্রকাশের পরে পরেই শিখা মিত্র সাফ জানিয়েছিলেন তাঁর অনুমতি ছাড়াই নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। পরিস্থিতি উল্টো দেখে নাম পরিবর্তনে বাধ্য হয় পদ্মবন। তার পর থেকে বেশ কয়েকমাস কেটে গিয়েছে। এবার সরাসরি তৃণমূলে যোগের আহ্বান জানিয়ে শিখার ঘরে ফোন গেল খোদ মমতার।
বৃহস্পতির বারবেলায় কংগ্রেসের ঘরে ফোন গেল তৃণমূল সুপ্রিমোর, ডাক দলে যোগের।
সূত্রের খবর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ ফোন করেছিলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র’র স্ত্রী শিখা মিত্রকে। সরাসরি প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূলের ‘বঙ্গ জননী বাহিনী’তে যোগদানের। সঙ্গে ‘দিদি’ বলেছেন কাজের মধ্যে থাকলে শরীর মন ভালো থাকবে।
উত্তরে এখনো সঠিক কিছু না জানালেও শিখা মিত্র জানিয়েছেন, তৃণমূল নেত্রী মালা রায়ের সঙ্গে কথা বলে তাঁকেই জানাবেন নিজের মতামত। উল্লেখ্য বৃহস্পতির বারবেলায় শিখার ঘরে মমতার ফোনকে অনেকেই তৃণমূলে এক ব্যাক্তি এক পদের ফলাফল বলেই মনে করছে। ক্ষমতায় এসেই মমতা সরকার চালু করেছে এই নিয়ম।
শুরুও হয়েছে বাস্তবায়ন। একাধিক জেলার দায়িত্ব থেকে সরতে হয়েছে বিধায়ক-মন্ত্রীদের। উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতির পদে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলে এসেছেন প্রাক্তন বিধায়ক তাপস রায়। এই অবস্থায় শিখাকে ফোন করা যে নিছক কোন সাধারণ ঘটনা নয় তা একবাক্যে মানছে সকলে। এখন অপেক্ষা মালা রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিখা মিত্রর উত্তরের। রাজনীতিতে এই মুহুর্তে নতুন ইনিংস শুরুর কথা তিনি ভাবছেন কিনা জানা যাবে তখনই।



