নজরবন্দি ব্যুরো: পাশের বাড়িতে থাকবেন মমতা, আনন্দে উত্তেজনায় ফুটছে নন্দীগ্রাম। নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন “কথা দিলে কথা রাখি।” আমি নন্দীগ্রাম থেকেই লড়বো। আর তার পরেই খোঁজ শুরু হয় নন্দীগ্রামে গিয়ে প্রচার থেকে নির্বাচনী কাজ, মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন কোথায়? শর্ত ছিলই, বাড়ি হবে কালীঘাটের বাড়ির মতোই, অতি সাধারণ ভাবে প্রচার কার্য চালিয়ে দিন কাটাবেন তিনি। খোঁজ খবর নিয়ে দলের তরফ থেকে ঠিক করা হয়েছে দুটি বাড়ি।
আরও পড়ুনঃ চৌরঙ্গী কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শিখা মিত্র! অধীর চৌধুরীর আপ্রান চেষ্টার ফল…?


নন্দীগ্রাম ১নং ব্লকের কাছে ফারুখ আহমেদের বাড়ি এবং ২নং ব্লকের কাছে একটি বাড়ি। এর একটি হবে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় এবং একটি হবে বাসভবন। আপাতত নন্দীগ্রামে গিয়ে এই দুই জায়গায় থেকে সারা এলাকা জুড়ে প্রচার করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিপক্ষ তাঁরই প্রাক্তন সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে নির্বাচন লড়বেন জানানো পর থেকেই শুভেন্দু চেয়েছিলেন বিপরীতে বিজেপির হয়ে দাঁড়াবেন তিনি।
তাঁর ইচ্ছাকেই সিলমোহর দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দিনই শুভেন্দু বলছেন নন্দীগ্রামে মাননীয়াকে হারাবই…হরাবই…হারাবই…সঙ্গে এও বলেছেন প্রাক্তন বিধায়কের প্যাড ছাপিয়ে রাখতে। কিন্তু প্রতিপক্ষ শুভেন্দু একথা বললেও প্রার্থী হিসেবে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে পেয়ে উচ্ছসিত নন্দীগ্রাম। রাজনীতির একদশক পিছনের দিকে গেলে দেখা যায় এই নন্দীগ্রামই হলো মমতার উত্থানভূমি, সেই উত্থানের জায়গা থেকে দাঁড়াতে পেরে খুশি তিনি নিজেও, আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পাবেন ভেবে উচ্ছসিত এলাকাবাসী।
প্রথম বার প্রার্থী হিসেবে নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামীকালই যাবেন নিজের কেন্দ্রে, বুধবার হলদিয়ায় গিয়ে জমা দেবেন মনোনয়ন পত্র। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মানুষের উচ্ছাস চোখে পড়ার মতো। পাশের বাড়িতে থাকবেন মমতা, নন্দীগ্রামে গিয়ে বটতলার যে বাড়িতে থাকবেন মাননীয়া তার আশেপাশের মানুষেরা এখনো ভাবতেই পারছেন না কয়েকদিন পর থেকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের প্রতিবেশী হবেন। কেউ কেউ ঘুরে দেখে যাচ্ছেন বাড়ি। কেউ কেউ চান একবার দিদি কে সামনে পেলে গড়গড় করে হাজার কথা বলে যাওয়া। মঞ্চ থেকে তিনি যখন নাম করে প্রত্যেকের সুবিধে অসুবিধে জিজ্ঞাসা করেন, সেরকম একদিন সামনে পেয়ে মনের কথা বলবেন, কেউ কেউ ভাবছেন সুযোগ পেলে ছবি তুলে রাখবেন ফোনে।









