নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচনের আগে গঙ্গা ডুব দিতে হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পর গঙ্গা দিয়ে মৃতদেহ ভেসে গেলে রখন কেউ মনে রাখে না। গোয়ার জনসভা থেকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কড়া বাক্যবাণে বিদ্ধ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ সাংসদদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হোক, মিছিলে একযোগে বার্তা বিরোধীদের


সোমবার কাশী-বিশ্বনাথ করিডোরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদির সোমবারের কার্যকলাপের সমস্ত কিছু ক্যামেরাবন্দী হয়েছে। যেখানে গঙ্গায় ডুব দেওয়া থেকে করে পুজো দেওয়া এবং কর্মীদের সঙ্গে ছবি তোলা সবটাই নিয়ে স্যোশাল মাধ্যমে চুলচেড়া বিশ্লেষণ শুরু হয়। মঙ্গলবার গোয়ার জনসভা থেকে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে নির্বাচনের পর ভাসমান মৃতদেহ গুরুত্বহীন।
তিনি আরও বলেন, আমি ঈদেও যাই। রেড রোডে নামাজ পড়ি। আবার বড়দিনের উৎসবে চার্চেও যাই। প্রতি বছর অভিষেক, ডেরেক এবং আমি প্রত্যেক বছর যাই। এক বছরেও কামাই নেই। সংখ্যালঘুরাও মানুষ। আপনি তাঁদেরকে কখনোই উপেক্ষা করতে পারেন না। আমার খুব ভালো লাগে। আমি গুরুদুয়ারা যাই। আর সেখানের প্রসাদ খাই। আগামীবার গোয়ায় এলে মন্দিরে খেয়ে যাবো। আসল কাজ কী করেছে? তা বিজেপি সরকার বলতে চায় না। আসলে গোয়ার উন্নতির জন্য কিছুই করেনি সরকার।
এদিন লাখিমপুরের ঘটনা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আদালতের তৈরি বিশেষ তদন্তকারী দল জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর খেরির ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত। যদি তাই হয়, তাহলে তো উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর উচিত ইস্তফা দেওয়া। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কী উচিত নয় ইস্তফা দেওয়া? প্রধানমন্ত্রীর কী উচিত ছিল না এবিষয়ে চর্চার প্রয়োজন? বিজেপি আমাদের শেখাবে কে কৃষক, কে মজদুর?


নির্বাচনের পর ভাসমান মৃতদেহ গুরুত্বহীন, মোদীর সমালোচনায় মমতা
আসলে গোয়ার দুর্গ দখলের জন্য মমতা বুঝতে পেরেছেন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আক্রমণ করা। এতে এক ঢিলে দুই মারার মতো কাজ সারতে চাইছেন তিনি। যার ফলে গোয়ায় জনপ্রিয়তা অর্জন করা সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে জাতীয় রাজনীতিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে। তাই বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেই ক্ষমতায়নের রাস্তা মসৃণ করতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।







