নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৫০০০ ক্লাবকে ৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে খেলা হবেও দিবসে কর্মসূচীর উদ্বোধন প্রসঙ্গে এই ঘোষণা করেছেন তিনি। দিন কয়েক আগেই সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছিলেন বাংলায় খুব প্রচলিত এই খেলা হবে স্লোগান।
আরও পড়ুনঃ বিপ্লব-সরকারের গণতন্ত্রে হতবাক অভিষেক, BJP বলছে এসব বঙ্গ তৃণমূলের চাল


গোটা ভোট পর্ব এবং তার পরেও যেভাবে চলেছে এই স্লোগান, মমতার নিদান ছিল এবার পালিত হোক রাজ্য জুড়ে খেলা হবে দিবস। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই ক্রিড়া দফতরের তরফে সরকারি ভাবে রাজ্যের সকল ব্লকে ১৬ই আগস্ট খেলা দিবসে ফুটবল খেলার। ক্রীড়া দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ১৬ ই আগস্ট সমস্ত ব্লকে ব্লকে ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ লক্ষ ফুটবল বিতরনও করা হবে এবং আরও কিছু কর্মসুচিও রাখা হয়েছে।
খেলা হবে স্লোগানকে চিরস্থায়ী করতে চান মমতা, ২৫০০০ ক্লাবকে ৫ লক্ষ করে টাকা দেবে সরকার।

এর পরেই আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আরও বড়ো ঘোষণা করলেন। শুরুতেই তিনি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে বলে ওঠেন, মানুন ছাই না মানুন, খেলা হবে কথাটা খুব পপুলার হয়েছে। তার পরেই বোঝা গেল এই খেলা হবেকে বাংলার বাইরে বের করে গোটা দেশের খেলার সঙ্গে সংযুক্ত করতে চাইছে তিনি। তাতেই রাজ্যের ক্লাব গুলিকে অনুদানের পাশাপাশি একাধিক কর্মসুচী নিয়েছেন তিনি নিজেই।
নেতাজি ইন্ডোরেই মমতা জানান, “মানুন ছাই না মানুন খেলা হবে কথাটা খুব পপুলার হয়ে গিয়েছে। সংসদ থেকে শুরু করে দিল্লি, রাজস্থান, গুজরাট সব জায়গায়। খেলা তো হবেই। প্রতি বছর ১৬ অগস্ট দিনটি খেলা হবে দিবস পালন করা হবে। খেলাশ্রী প্রকল্পের আওতায় ২৫ হাজার ক্লাবকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। খেলা হবে স্লোগানকে চিরস্থায়ী করতে হলে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কার্যকরী করতে হবে। আমি যখন নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জায়গায় যেতাম তখন গাড়ি থেকে নামার আগেই সবাই খেলা হবে স্লোগান দিতে শুরু করত। আগামিদিনে সারা দেশেই খেলা হবে। আমি মনে করি খেলা হবে নিয়ে একটা গান করা দরকার।”



সঙ্গেই তিনি জানান, আইএফএ-এর অন্তর্ভুক্ত ৩০৩টি ক্লাবকে ১০টি করে বল ও তিনটি প্রধান ক্লাবকে ১০০টি করে বল দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ৩৪৩টি ব্লক, ১১৭টি পুরসভা, ৬টি পুরনিগম, কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ড, ২২টি জেলা নিয়ে ৬৩৩টি ক্লাব ও সংস্থাকেও এই বল দেওয়া হবে। আজ নেতাজি ইন্ডোরে ‘স্বাস্থ্য ইঙ্গিত’ নামে একটি প্রকল্প রাজ্যের টেলিমেডিসিনে যুক্ত করাও হয়েছে।







