নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিপ্লব-সরকারের গণতন্ত্রে হতবাক অভিষেক, আজই বিপ্লব দেবের রাজ্যে পা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেই নিয়ে সরগরম ছিল গোটা রাজ্য। অভিষেকের পড়শি রাজ্য দখলের লক্ষ্যে প্রথম অভিযানে দিকে চোখ ছিল গোটা বাংলার, তাকিয়ে ছিল গোটা দেশ।
আরও পড়ুনঃ শ্রীমান দিলীপের কারণেই বাবুল বিযুক্তি! দলে রাখতে ফোন আসছে নাড্ডা-শাহের


তবে ছন্দ পতন ঘটেছে একেবারে প্রথম ভাগেই। গতকাল রাতেই রাজ্যে ছেঁড়া হয়েছে মমতা-অভিষেকের ছবি, পোস্টার লাগাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ বাংলার যুব তৃণমূলের মুখ দেবাংশু-সুদীপ। তার পরেই বিমানবন্দর থেকে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাওয়ার পথেই অবরোধ বসে অভিষেকের গাড়ির সামনে। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান।
দেখানো হয় কালো পতাকা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ট্যুইট করেন একটি ভিডিও তাতে দেখা যায় রাস্তার ধারে বিজেপির পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন একদল কর্মী। অভিষেকের গাড়ির বনেটে-কাঁচে পড়ছে বাঁশের ঘা। সঙ্গেই তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় গণতন্ত্রের অবস্থা দেখুন। খুব ভালো বিপ্লব দেব এ রাজ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য অভিনন্দন।’
ত্রিপুরাতে গেলেন অভিষেক, পদার্পনেই হতবাক বিপ্লব-সরকারের গণতন্ত্রে।

সঙ্গেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জানান, ‘দিন দুই আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অতিথি দেব ভব। এখানে এসে অতিথি দেব ভব-র নিদারুণ উদাহরণ দেখলেন। বিজেপি নেতারা তো বাংলায় এসে গণতন্ত্র নিয়ে গলা ফাটান। এখানে এসে বোঝা যাচ্ছে ত্রিপুরার বিজেপি সরকার আসলে গণতন্ত্র বলতে কী বোঝাতে চাইছেন!’


এদিকে অভিষেকের ট্যুইট রিট্যুইট করে বাংলার গেরুয়া শিবিরের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করে লেখা হয়েছে, বাংলায় বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আখছার ঘটে থাকে এই ঘটনা। একই সঙ্গে ত্রিপুরার মাটিতে ঘটা এই ঘটনার পিছনে বাংলার তৃণমূলের কর্মীদের হাতই দেখেছে গেরুয়া শিবির। ট্যুইটে বলা হয়েছে বাংলাতেও একই ঘটনা তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে না ঘটা পর্যন্ত আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে।

একই সুর শোনা গিয়েছে সায়ন্তন বসুর গলাতেও। ঘটনার প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতার বক্তব্য ‘‘কিছুই হয়নি। আমাদের উপরে এমন রোজই হয়। আর ওঁরা বাংলার বাইরে যেখানে যাবেন, সেখানেই এমন হবে। বাংলায় যে সন্ত্রাস চলছে, তাতে গোটা দেশের বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের উপরে ক্ষেপে রয়েছেন।’’







