নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘দুই আনার নেতা’ নাড্ডার ঘটনা সাজানো! জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা নিয়ে যখন রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়েছে তখন ফের বিতর্ক উসকে দেওয়া ট্যুইট করলেন, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া। কদিন আগেই সংবাদমাধ্যম কে আক্রমণ করেছিলেন ২ পয়সার প্রেস বলে, আর এবার দেশের ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দলের সভাপতিকে আখ্যা দিলেন দুই আনার নেতা বলে।
আরও পড়ুনঃ ব্যাপারটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি, দিল্লিতে বৈঠকের কি দরকার? কেন্দ্রকে চিঠি মুখ্যসচিবের।


এদিন মহুয়া মৈত্র ট্যুইট করে বলেছেন, “বিজেপির নেতারা তো নিজের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিজেরাই নিয়ে আসেন। সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, সব কেন্দ্রীয় এজেন্সির ফোর্স নিয়ে দুই আনার নেতারা বাংলায় আসেন। কিন্তু সেই নিরাপত্তা নিয়ে সাজানো হামলা রুখতে পারেন না। অত্যন্ত লজ্জার ব্যাপার।”
এদিকে নাড্ডার কনভয়ে হামলায় মুখ্যমন্ত্রীকে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য পুলিশ! বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ডায়মন্ড হারবারে সভা করতে যাওয়ার সময়, শিরাকোল এলাকায় জেপি নাড্ডার কনভয়ের উপর হামলা হয়। দুস্কৃতীদের ছোঁড়া ইটের ঘায়ে গাড়ির কাঁচ ভেঙে যাওয়া থেকে শুরু করে একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব আহত হন। এবার তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট জমা দেয় পুলিশ।
সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে কোন পরিকল্পিত হামলার কথা উল্লেখ করা হয়নি। পুলিশ মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল জেপি নাড্ডার। সাথে ছিল বুলেট প্রুফ গাড়িও। বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি ডায়মণ্ড হারবার যাওয়ার রাস্তায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হলেও, তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে ১৫ মিনিটের মধ্যেই। ওই ঘটনায় মোট ৭ জন এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। পাশাপাশি সূত্র জানাচ্ছে পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী রাকেশ সিং নামের একজন প্ররোচনা স্মৃষ্টিকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা প্রশ্ন তোলেন, “এত সব সিআরপিএফ নিয়ে ঘুরছো, সেন্ট্রাল ফোর্স নিয়ে ঘুরছো তাহলে কী করে গাড়িতে হাত দিল? এক এক জন গুন্ডাকে পর্যন্ত আধাসেনা জওয়ান দিয়ে রেখেছো।” তিনি বিজেপি-কে আক্রমণ করে বলেন, “যখন কিছু না থাকে তখন ভায়োলেন্স করে বিজেপি। তার পর বলে, “এই দেখো আমাকে মেরেছে।” একটা কনভয়ে ৫০টা গাড়ি থাকবে কেন? কেন দাঁড়িয়েছিলে রাস্তায়, কে একটা ইট মারবে আর ভিডিও তুলবে বলে? আগে থেকে গাড়ি থেকে ভিডিও করছিলে, তোমরা কি জানতে ইট মারবে!







