আরজি কর-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই তোলপাড় গোটা দেশ। দোষীদের শাস্তির দাবি ও প্রকৃত বিচার চেয়ে পথে ডাক্তার থেকে আইনজীবী, শিল্পী থেকে বুদ্ধিজীবী, সকলে পথে নেমেছেন। আর এই পরিস্থিতিতে এই নিয়ে গুজব ছরান ইতিমধ্যেই গুজব ছড়ানো নিয়ে সরব লালবাজার। গুজব ছড়ানো নিয়ে তৎপর লালবাজার। তরুণী চিকিৎসকে পোস্টমর্টেম ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। আর এবার এই গুজব ছড়ানো নিয়ে সরব হলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।
মঙ্গলবার ওই তরুণী চিকিৎসকের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট সম্পর্কে তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে এই নিয়ে লিখেছেন,”জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩ জন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে আরজি কর ময়নাতদন্তে পেলভিক গার্ডল বা অন্যান্য হাড়ের কোন ফ্র্যাকচার দেখান না, দ্বিতীয়ত,১৫০ গ্রাম অভ্যন্তরীণ এবং বাইরের যৌনাঙ্গের ওজনকে তরলের কাল্পনিক পরিমাণে বোঝায়না, এছাড়া একাধিক আততায়ীর পরামর্শ দেয় না। তাই দয়া করে ভুয়া খবর ছড়াবেন না।


প্রসঙ্গত এই গুজব ছড়ানো নিয়ে তথা সোশ্যাল মিডিয়াতে বিতর্কিত পোস্ট করা নিয়ে বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় কে কয়েকদিন আগেই লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। এছাড়াও গুজব ছড়ানো ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট করায় কলকাতার এক কলেজ ছাত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যা তথা হাইকোর্টের আইনজীবী প্রমিতী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন ”সমাজ মাধ্যমে ট্রোল ধরতে পুলিশ এত তৎপর। কিন্তু আসল অভিযুক্তদের ধরতে এই তৎপরতা দেখা যায়নি কেন?”
এই নিয়ে সোমবার গুজব ছড়ানো নিয়ে একটি পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও। তিনি লেখেন,”প্রতিবাদী পোস্ট হলেই পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে, এই ন্যাকামির মিথ্যা বন্ধ করুন। প্রতিবাদ করবেন ভাবলে সঠিক ভাষায়, যুক্তিতে একশোবার করুন। হাজারবার করুন। কিন্তু ভুল তথ্য, বিকৃত অনুমান, ভুয়ো অডিও, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্ররোচনা ছড়ানোর পোস্ট, নিহতের নাম-ছবি, এসব দিলে পুলিশ সতর্ক করবেই।”








