নজরবন্দি ব্যুরোঃ আবারও গভীর শোকের মুখোমুখি দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশ বাবু। মঙ্গল বার রাতে পরলোকে বিদায় নিলেন তাঁর বাবা গাট্টামানেনি শিবা রামা কৃষ্ণা মূর্তি। শুধু মাহেশ বাবুর বাবা হিসাবে নয়, গোটা দক্ষিণ ভারত তাকে চেনে একজন কিংবদন্তি অভিনেতা হিসেবে। প্রায় কয়েক দশক ধরে দক্ষিণী সিনেমার জগতে জাঁকিয়ে বসেছিলেন তিনি। অবশেষে ৭৯ বছর বয়সে ইহলোক ত্যাগ করলেন কৃষ্ণ।
আরোও পড়ুনঃ নতুন বছরেই কলকাতায় পা রাখছেন ভাইজান, কবে, কোথায়? দাম কত টিকিটের?


রবিবার রাতে হঠাৎই বুকে ব্যথা শুরু হয় কৃষ্ণর। বয়সজনিত কারনেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় তাঁকে। গভীর রাতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান পুত্রবধূ অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকর। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। পিতৃবিয়োগের শোক পেলেন মাহেশ বাবু। চলতি বছরে একের পর এক স্বজন বিয়োগের যন্ত্রনা পেয়েছেন এই দক্ষিণী নায়ক। একে একে ছেড়ে গেছেন মা ইন্দিরা, দাদা রমেশ, আর এবার বাবা কৃষ্ণ।

হাসপাতালে ভর্তির পরই তাঁকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয় । প্রাথমিকভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। চিকিৎসকেরা বলেছিলেন, তাঁকে তিনদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর বাড়ি ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু সেই কথা আর বাস্তবায়িত হল না। ক্রমে ঘটলো শারীরিক অবনতি।
পিতৃবিয়োগে শোকগ্রস্ত দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশবাবু, চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কৃষ্ণ



২০০৯ সালে পদ্মভূষণ প্রাপ্ত অভিনেতা কৃষ্ণর মৃত্যুতে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা জগৎে ঘটল অপূরণীয় ক্ষতি। ভারতীয় সিনেমার দীর্ঘ ইতিহাসের সাক্ষী ছিলেন কৃষ্ণ। ১৯৪৩ সালে জন্ম হয় তাঁর। ৫০ বছর ধরে দক্ষিণের সিনেমা জগতে অভিনয় করেছেন তিনি। ৩৫০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন । পুত্র মহেশের পথ চলা শুরু বাবার হাত ধরে। শুধু সিনেমা নয়, তাঁর জীবনের একটা ব্যপক অংশে ছড়িয়ে ছিল রাজনীতি। কংগ্রেসের হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন ১৯৮০ সালে। রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর রাজনীতি ছেড়েছিলেন তিনি।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



