নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। এরপরেই সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে জল্পনা শুরু হয়েছে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে। কারণ, ২৪ ঘন্টা আগেই জয়প্রকাশ মজুমদারের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে জয়প্রকাশের পর তিনিও কী বিজেপিতে যাচ্ছেন? সেই জল্পনা নিজেই উড়িয়ে দিয়েছেন হুগলীর সাংসদ। তাঁর কথায়, যারা এসব কথা বলছে, তাঁরা হয়তো তৃণমূলের থেকে টাকা নিয়ে এধরনের কথা বলছেন।
আরও পড়ুনঃ নতুন কমিটি ঘোষণা করলেন মমতা, থাকছে নতুনের সঙ্গে পুরাতনের মেলবন্ধন


লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, যাঁরা দলের স্বার্থে লড়াই করবেন, লকেট চট্টোপাধ্যায় তাঁদের সাথে আছে। আর যাঁরা তৃণমূলের স্বার্থে লড়াই করবেন, তাঁরা তৃণমূলে যেতে পারেন। আগেও দল ছেড়েছেন। দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা আমরা দেখতে পাচ্ছি। যাতে এই পরিস্থিতির শিকার হয়ে দল ছেড়ে কেউ চলে না যান, সেজন্য তাঁদের সঙ্গে কথা বলা উচিত। দলের এই ভাঙন রোখা উচিত। সবাইকেই রোখা উচিত। আমাদের এখন সেই কাজটাই করতে হবে। কথা বলার পরেও যদি কেউ চলে যান, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়।
তবে জয়প্রকাশ মজুমদারের দলবদল নিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, জয়প্রকাশকে দলবদল করার জন্য অনেকেই নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি সেটা শোনেননি। এদিন দলবদলের পরেই জয়প্রকাশ মজুমদারকে সাসপেণ্ড করা হয়েছে। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, উনি কংগ্রেস থেকে এসেছিলেন। উনি বেশীদিন বিজেপিতে ছিলেন না।
তৃণমূলের থেকে টাকা নিয়ে এধরনের কথা বলছেন, দাবী লকেটের

তবে গত কয়েকমাস ধরেই রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের দুরত্ব বাড়তে শুরু করেছে বলে মনে করছেন বিজেপির একাংশ। সেখান থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূলে যোগদান প্রবল হয়ে উঠেছিল। এমনকি শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠকের পরেও সেবিষয়ে তুমুল সমালোচনা হয়েছিল। এপ্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদের বক্তব্য, দলের মধ্যে ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতি করা ঠিক নয়। আমরা দলের অনুগত সৈনিক। বিজেপির একজন।









