যৌবনের দূতদের নিয়ে ঐতিহ্যের ব্রিগেড। আজ রবিবার ৭ ই জানুয়ারি ডিওয়াইএফআইয়ের ডাকে ইনসাফ চেয়ে ব্রিগেড সমাবেশ। ৩ রা নভেম্বর থেকে শুরু করে ২২ শে ডিসেম্বর শেষ হয়েছে ইনসাফ যাত্রা। ৫০ দিন ধরে ২২টি জেলায় বামেদের ২২০০ কিমি এই ইনসাফ যাত্রার পর আজ ব্রিগেডে তার পরিসমাপ্তি। আজ শহরের রঙ লাল -সাদা। ছাত্র – যুবদের হাত ধরে ছন্দে ফিরছে বাম রাজনীতি।

আরও পড়ুন: ব্রিগেডের মঞ্চে দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকার সহাবস্থান, বদলাচ্ছে বামেদের রণকৌশল?
গতকাল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ছাত্র- যুবদের বলেছেন, সমাবেশ বড় হবে, ভাল হবে। রেকর্ড গড়বে ব্রিগেডের এই সমাবেশ। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আশীর্বাদ বামেদের অনুপ্রেরণা। প্রধান বক্তাদের তালিকায় রয়েছেন- সিপিমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, মীনাক্ষী মুখার্জী, এস এফ আইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। ব্রিগেডের মঞ্চে এবারের আকর্ষণ হল মুল মঞ্চে দলীয় পতাকার পাশে জাতীয় পতাকার সহাবস্থান এবং সমাবেশের শুরুতে রাজ্য সঙ্গীত।

মুল বক্তা মীনাক্ষী মুখার্জি মঞ্চে উঠতেই হাততালিতে ফেটে পরে সমাবেশ। মীনাক্ষী মঞ্চে উঠে রাখলেন আগুন ঝরানো বক্তব্য। বলেন, ” লাল সেলাম। যে মাঠে বলেছিল খেলা হবে সেই মাঠের দখল নিতে এসেছি। বামপন্থী রক্তবীজের জাত। গোটা রাজ্যের রাজনীতির দখল যখন বামেরা নেয় তখন ডানেদের অসুবিধা হয়।” “বামপন্থীরা একটা পাড়ায় রাজনীতি করতে গুঁতোগুঁতি করে না। বামপন্থীদের লড়াই একটা গলির জন্য নয়। একটা বিধায়ক, একটা সাংসদ পদের জন্য লড়াই করে না। ”

বামপন্থীরা রক্তবীজের জাত, মঞ্চে আগুন ঝরালেন ক্যাপ্টেন মীনাক্ষী
“কারা বলে বামপন্থীরা শূন্য। ওরা ভয় পায় আমাদের। আমাদের ভয় নেই । আমাদের আশঙ্কা রয়েছে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ রুটিরুজির কথা বলছে কিনা!” “ছোট থেকে ব্রিগেডে আসি বাবার সাথে আজও বাবা মা এসেছে। মনে করালেন সিপিএমের নিহত কর্মীদের কথা। শাসক ও বিরোধী কোন দলকেই কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। বললেন বেঁচে থাকতে চাইলে লড়াইয়ে আসুন। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। “



