‘দ্য ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’ নিয়ে মুখ খুললেন কুণাল, তোপের মুখে তৃণমূল তারকারাও

‘দ্য ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল' নিয়ে মুখ খুললেন কুণাল, তোপের মুখে তৃণমূল তারকারাও। একইসাথে নিশানায় টলিপাড়ার পরিচালকরাও।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

গতকালই ‘দ্য ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’-র মুক্তিতে ছাড় দিয়েছে হাই কোর্ট। ‘দ্য ডায়েরি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’ সিনেমার মুক্তি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কুণাল ঘোষ। এবার কুণালের তোপে তৃণমূলের তারকারাও। বলিউডের তুলনা টেনেই এক্স হ্যান্ডলে খোঁচা তৃণমূল নেতার। তার কথায়  বলিউডে বিজেপির পক্ষে সিনেমা তৈরি হয়। তবে তৃণমূলের বদন্যতায় থাকায় টলি তারকারা জন্য কিছু করেন না। নিজেদের ভাবমূর্তি তৈরিই করতে মমতার মঞ্চে থাকেন বলে তোপ কুণালের।বাংলাকে বদনাম করতে সিনেমা বানানো হচ্ছে। অথচ এখনও চুপ টলিউডের বড় বড় তারকারা। টলিউডের নামীদামি তারকাদের নিয়ে দলের ভাবা উচিত বলেও পরামর্শ কুণালের।

কুণাল ঘোষ এদিন তার এক্স হ্যাণ্ডেলে এই সিনেমার বিরুদ্ধাচরন করার পাশাপাশি বাংলা অভিনেতা জগতের তৃণমূল নেতা নেত্রীদের উদ্দেশ্যে তোপ দেগে লেখেন,”আফসোস লাগে। মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচালক, অভিনেতা এমন কিছু রাজনৈতিক ছবি করেন যা সমাজে বিজেপির পক্ষে নেগেটিভ তৈরি করে। এবার তো বাংলায় নিয়েও কুৎসার ঝুলি আসছে। অথচ টালিগঞ্জের বাবু-বিবিরা যারা মমতাদির পাশে দলে মঞ্চে ছবির ফ্রেমে থাকেন। তারা নিজেদের ইমেজ গড়তে পেশার সৌজন্য নিয়ে ব্যস্ত।  দিদির পাশে ছবি দিয়ে গুরুত্ব বাড়ান কিন্তু মমতাদির বায়োপিক বা তৃণমূলের পক্ষে বার্তা যেতে পারে এমন কোন সিনেমার কথা তারা ভাবেন না।”

এখানেই থামেনি তিনি এরপরেও তিনি বলেন, “টেকনিশিয়ানরা অনেক বেশি দরদী। এরা অনেক বড় নাম হতে পারেন কিন্তু এদের অনেককেই দলের বোঝা দলের সুসময়ে এরা হাত মেরে সামনে থাকেন একটু বিতর্কিত ইস্যুতে দল করলেই এরা মুখ খোলা বন্ধ করেন। সামনে থেকে মানুষকে বোঝানোর কাজে এদের পাওয়া যায় না। দল না বললে কর্মসূচিতেও পাওয়া যায় না। এই যে এবার বাংলাকে কুৎসিত আক্রমণ করে ছবি আসছে সারা দেশে বিদেশে বাংলার ইমেজ খারাপ করার চক্রান্ত হচ্ছে এরা জানেন না অথচ এরা তার পাল্টা কিছু করবেন না করতে চাইবেন না। এদের কেউ কেউ আন্তরিক। বাকি ক্ষমতাশালী তারকাদের নিয়ে দল ভাবুক।”

প্রসঙ্গত, ছবির কাহিনীর ট্রেলারে দেখানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘুদের ক্ষমতা বৃদ্ধি। পাশাপাশি এটি একটি সরকার বিরোধী কাহিনীও বটে। অর্থাৎ কাহিনীতে দেখানো হয়েছে ক্রমেই রাজ্যসরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্মতিতেই বাংলাদেশ থেকে সংখ্যালঘুদের সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। এমনকি ছবিতে ট্রেলারে দেখানো হয় এই অনুপ্রবেশ কারীদের মধ্যে ছিল বেশ কিছু রহিঙ্গারাও। এরপর কেন্দ্র সরকারের তরফে সিএএ ও এনআরসি চালু করা হলে। শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এমনকি হিন্দু দের ওপর মুসলমান দের অত্যাচারের ঘটনাও দেখানো হয়।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর