বিহারের জনপ্রিয় শিক্ষক ও ইউটিউবার ফয়জল খান ওরফে খান স্যারকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তাঁর কোচিং প্রতিষ্ঠান ‘খান গ্লোবাল স্টাডিজ’-এ গুলি চলার ঘটনার তদন্তে নেমে পটনা পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। এর জেরে খান স্যারের বিরুদ্ধে আইনি চাপ বাড়ছে এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলেও জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, কদমকুয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলায় হত্যার চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, কোচিং ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তা কর্মীদের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদের সময় উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই এই মামলা রুজু করা হয়েছে।


ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পটনা পুলিশ তিনটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে। এই বিশেষ টিমগুলি বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যের পুরো চিত্র খতিয়ে দেখছে।
পটনার বহুল আলোচিত কোচিং বিতর্কের সঙ্গে গুলি চালানোর ঘটনাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। পুলিশ ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে এখনও পর্যন্ত ফয়জল খান ওরফে খান স্যারের গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। যদিও তদন্তের গতিপ্রকৃতি দেখে রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।


আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যদি খান স্যারকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে তাঁকে আদালতে পেশ করার পর বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে জামিনের আবেদন করলেও তাৎক্ষণিক স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ নাও থাকতে পারে।
বিশেষ করে রবিবার আদালত বন্ধ থাকায় জামিন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁকে অন্তত কয়েক দিন বেউর জেলে থাকতে হতে পারে বলে আইন মহলের একাংশ মনে করছে।
এখন সব নজর পটনা পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। তদন্তের অগ্রগতি এবং সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে খান স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগের মামলাটি কোন দিকে এগোবে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



