প্রায় দেড় বছর হতে চলল জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা বিলুপ্ত করেছে মোদি সরকার। কাশ্মীরিরা সেই মর্যাদা ফিরে পাবেন কি না, পেলেও তা কবে নাগাদ হতে পারে- এ নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম কাশ্মীর সফরেই বড় ঘোষণা নরেন্দ্র মোদির। প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, “শীঘ্রই পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাবে জম্মু ও কাশ্মীর। কাশ্মীরের মানুষ নিজেদের ভোটেই নিজেদের সরকার গড়বে।
আরও পড়ুনঃ বিজেপি রুখতে তৃণমূলকেই চায় মানুষ, দলীয় বৈঠকে মেনে নিল CPIM



দিল্লি এবং শ্রীনগরের মধ্যেকার দূরত্ব কমানোই আপাতত কেন্দ্র সরকারের মূল উদ্দেশ্য।” শুক্রবার শ্রীনগরে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গত ১০ বছরে বিজেপি সরকারের চেষ্টায় আমূল বদলে গিয়েছে কাশ্মীর। মানবতার শত্রুরা উন্নয়ন চায় না। কাশ্মীরে শান্তিপ্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর শেষ চেষ্টা করছে।” এর পরেই রাজ্যে দ্রুত বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
” কাশ্মীরবাসী নিজেদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। সেই জনপ্রতিনিধিরা অনেক সমস্যার সমাধান করে দেন। বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই দিনটা আসতে আর বেশি দেরি নেই, যেদিন উপত্যকাবাসী নিজেদের ভোটে নিজেদের সরকার গড়বেন। এর চেয়ে ভালো আর কীই বা হতে পারে”।
খুব তাড়াতাড়ি রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাবে কাশ্মীর, ঘোষণা মোদির



উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পাঁচই অগাস্ট কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করে উপত্যকার পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা তুলে নেওয়া হয়। এবং জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাকে দুটি আলাদা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয়। এরপরেই বিরোধী দল এমনকি প্রতিবেশী পাকিস্তানও কঠোর সমালোচনা করে। এরপরে ৩৭০ ধারা বাতিল মামলায় দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয় জম্মু কাশ্মীরে গণতন্ত্রের পুনরুত্থান জরুরী। এর সাথে আদালত আরো জানিয়ে দেয় চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর এরমধ্যে জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন করতে হবে।







