নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরকাণ্ডে এবার তৎপর রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর। প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করবে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সবদিক খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দেবে চার সদস্যের এই কমিটি। ইতিমধ্যেই উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: র্যাগিংয়েই মৃত্যু পড়ুয়ার! বিবস্ত্র করে হস্টেলের রেলিংয়ে হাঁটতে বাধ্য করে সিনিয়ররা


জানা গিয়েছে, রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দফতরের তৈরি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিতে থাকছেন চারজন সদস্য। নেতৃত্ব করবেন উচ্চ শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়াকে র্যাগিং করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একইসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও পরিকাঠামোগত দিকেও বেশ কিছু ফাঁক-ফোঁকর রাজ্য সরকারের নজরে এসেছে। কোথায় কোথায় কী কী খামতি রয়েছে এবং কী পদক্ষেপ করা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করার জন্য উচ্চ শিক্ষা দফতরের থেকে এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে যাদবপুরের হস্টেলের তিনতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় প্রথম বর্ষের বাংলা বিভাগের পড়ুয়ার। র্যাগিংয়ের অভিযোগে সরব হয় সব মহল। প্রথম গ্রেফতার হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন পড়ুয়া সৌরভ চৌধুরী। এখনও পর্যন্ত ধৃত ৯। পুলিশের পাশাপাশি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। অভিযোগ, ঘটনার রাতে ইন্ট্রো দেওয়ার নামে নিহত পড়ুয়াকে প্রথমে বিবস্ত্র করা হয়। ওই অবস্থাতেই তাকে হস্টেলের তিনতলার রেলিংয়ে হাঁটতে বাধ্য করেন সিনিয়ররা। তদন্ত শুরু করে আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি জানতে পারে, হস্টেল থেকে পড়ে যাওয়ার পর রাত্রিবেলা গেট বন্ধ করে চলে জিবি। চারবার জিবি মিটিং হয়।



প্রথম বর্ষের ২৫ জন পড়ুয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করে যাদবপুরের আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। জানা গিয়েছে, ওই দিন হস্টেলে ঢুকেছিল প্রাক্তনীরা। মৃত্যুর ঘটনার পর ওই রাতেই হস্টেল থেকে পালিয়ে যান তাঁরা। পূর্বপরিকল্পিত ভাবেই ডিনকে ফোন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলেই ধারণা তদন্ত কমিটির।
যাদবপুরকাণ্ডে তদন্তের জন্য ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠাচ্ছে রাজ্য








