নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইডি-সিবিআইয়ের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। যেকারণে দলের রোষানলে পড়তে হয়েছে তাঁকে। সেন্সর করার পরেও লাগামছাড়া দিলীপ ঘোষ। কিছুতেই কমছিল না দিলীপ ঘোষের মন্তব্য। দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের রিপোর্ট দিল্লির নেতৃত্বকে জমা দিতেই ফোন করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সতর্ক করলেন সতীর্থকে।
আরও পড়ুনঃ নিজের মন্তব্যে অনড়, দূরত্ব বাড়ছে দলের সাথে, তাহলে কি BJP ছাড়ছেন দিলীপ? জানালেন নিজেই


এমনিতেই দেশের একাহিক প্রান্তে বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতাদের ওপর সিবিআই ও ইডির অভিযান জারি রয়েছে। তাই বারবার প্রশ্ন উঠেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। বিজেপির তরফে বারবার বলা হয়েছে ইডি, সিবিআইয়ের স্বতন্ত্র ভাবেই কাজ করছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষের মন্তব্য শুধুমাত্র দলকে নয়, সরকারকেও বিড়ম্বনার মুখে ফেলেছে। তাই সাংসদকে সতর্ক করলেন জেপি নাড্ডা।
সূত্রের খবর, এদিন জেপি নাড্ডার তরফে বলা হয়েছে, দিলীপ ঘোষ ভবিষ্যত প্রকাশ্যে এমন কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না যাতে দল অস্বস্তিতে পড়ে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর এধরনের মন্তব্যে বিরোধীরা অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছে। তাই ফের তাঁকে সতর্ক করা হল।

রবিবার একটি সরকারি অনুষ্ঠান থেকে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে সেটিং তত্ত্বের ব্যাখা দিয়েছিলেন তিনি।সেখান থেকে ঘটনার সূত্রপাত। দিলীপ ঘোষের কথায়, গত কয়েকবছর ধরে বাংলায় সিবিআইয়ের সঙ্গে সেটিং করা হয়েছিল। অর্থমন্ত্রক বুঝতে পেরে ইডিকে পাঠিয়েছে। যাঁরা সেটিং করেছেন, তাঁরা এখন বলছেন ইডি কেন? কারণ এই কুকুরটা পোষ মানবে না, কামড়াবে। তবে অসুখ অনুযায়ী ওষুধ কম হয়ে যাচ্ছে।


তাঁর কথায়, কিছু লোক ছিল তাঁদেরকে হয়তো কিনে নেওয়া হয়েছে। সেটিং করার জন্য। কিন্তু তারপর যেটা আসে, সরকার এবং বিচারব্যবস্থা। বিচারব্যবস্থা কাজ শুরু করেছে তদন্তও হয়েছে। আমার যেটা মনে হয়েছে, অনেক সময় মোমের পুতুল সাবান মাখতে গিয়ে সেও গলে যায়।
তিনি আরও বলেন, আপনারা হয়তো জানবেন গত কয়েক মাস ধরে সিবিআই তদন্ত চলছিল। কিন্তু কোনও প্রভাব পড়ছিল না। ধরা পড়ছিল না। কারণ সর্ষের মধ্যে ভুত ছিল। জানার পর কিছু অফিয়ারদের পরিবর্তন করা হয়েছে। সবাই বিক্তি হয়। সবার একটা দাম থাকে। কেউ লক্ষে থাকে, কেউ কোটিতে। সেটা সরকার বুঝতে পেরেছে।
লাগামছাড়া দিলীপ ঘোষ, তবে দল ছাড়ছেন না স্পষ্ট করেছেন

সোমবারের পর মঙ্গলবারেও নিজের মন্তব্যতে অটুট থেকেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, বিচার না পেলে বলতে পারব না? কার সিবিআই দেখার দরকার নেই। পাবলিকের টাকায় চলছে আমাদের দেশের একটা সংস্থা। তাদের উপর আমার ভরসা আছে। যখন ভরসা থাকে না তখনই প্রশ্ন তুলি।







