নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরকারের ‘দুয়ারে’ সিরিজে নয়া সংযোজন, ডোমজুরে চালু হল দুয়ারে পানীয় জল প্রকল্প। ভোটের ঠিক আগে মানুষের মনের কথা শুনতে তৃনমূলের পক্ষ থেকে চালু করা হয়েছিল দুয়ারে সরকার প্রকল্প। সেই প্রকল্প হিট, তাই ক্ষমতায় ফিরেই একের পর এক মানুষের দুয়ারে প্রকল্প পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আগেই বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার জন্য চালু হয়েছে দুয়ারে রেশন প্রকল্প। দুয়ারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি চালুর তোড়জোড়ও ইতিমধ্যেই শুরু করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ নিরপেক্ষতা নিয়ে ধন্ধে মমতা-পক্ষ, নন্দীগ্রাম মামলা সরানোর আর্জি নিয়ে শেষ শুনানি


তারই মধ্যে দুয়ারে সিরিজের নবতম সংযোজন দুয়ারে পানীয় জল প্রকল্প। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্প। বিনামূল্যে রাজ্যের মানুষের কাছে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভার অন্তর্গত জগদীশপুর হাইস্কুলের মাঠে প্রথম সূচনা হল এই প্রকল্পের। বুধবার বিকালে প্রকল্পের সূচনা করেন ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ। সূত্রের খবর, এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার প্রায় ৩৮ হাজার পরিবার উপকৃত হবে। ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পের উদ্বোধনের পর বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ বলেন, “সাধারণ মানুষের দুয়ারে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই প্রকল্পের সূচনা করা হল। এই প্রকল্পের সূচনার ফলে ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রের জগদীশপুর, বালি নিশ্চিন্দা সহ ৪টি ব্লকের প্রায় ৩৮ হাজার পরিবারের বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে যাবে। এই জল সংযোগ ব্যবস্থা জনসাধারণকে বিনামূল্যে করে দেওয়া হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত আগে ডোমজুরের বিধায়ক ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি খাতায় কলমে এখন বিজেপির কর্মী। স্থানীয়দের অভিযোগ এই প্রকল্পের জন্য আগে প্রচুর টাকা নেওয়া হলেও পানীয় জলের সুবিধা তারা পাননি। তবে ভোটের আগে কল্যানবাবু এই প্রকল্প চালু করার প্রতিশ্রুতি দেন। তাই ভোটে জিতেই তিনি নেমে পড়লেন প্রতিশ্রুতি পূরণে। একইসঙ্গে পূর্বে নেওয়া সমস্ত টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সরকারের ‘দুয়ারে’ সিরিজে নয়া সংযোজন, ডোমজুরে চালু হল দুয়ারে পানীয় জল প্রকল্প। এদিন উদ্বোধন মঞ্চের ভাষণে তিনি রাজীবের দিকে আক্রমন শানিয়ে বলেন “প্রাক্তন বিধায়ক এই প্রকল্পের নাম করে বহু মানুষের থেকে ইতিমধ্যে যে অর্থ নিয়েছিলেন তা পঞ্চায়েত থেকে ফেরত দেওয়া হবে। তবে তার জন্য আবেদন করতে হবে ও টাকা দেওয়ার উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে। সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে।” তবে এই প্রকল্প চালু হওয়ায় যথেষ্ট খুশি এলাকাবাসী।









