নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৩১ অগস্ট পার্থ-অর্পিতার ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষ হচ্ছে। তারপর তাঁদের আদালতে পেশ করার কথা ছিল। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সশরীরে আদালতে হাজির হচ্ছেন না। নিরাপত্তার কারণে পার্থ-অর্পিতার হাজিরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে করার আবেদন জানাল জেল কর্তৃপক্ষ। পিএমএলএ আদালতে সেই আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুরও করেছে।
আরও পড়ুনঃ ফের পয়গম্বরকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যে, গ্রেপ্তার তেলেঙ্গানার বিজেপি বিধায়ক


৩১ অগাস্ট সেই কারনেই আদালতে সশরীরে হাজিরা দিতে হবেনা পার্থ এবং অর্পিতাকে। আলিপুর মহিলা সংশোধনাগার ও প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আদালতে একটি বিশেষ আবেদন করা হয়। যেখানে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণেই পার্থ-অর্পিতাকে ভার্চুয়ালি আদালতে পেশ করানো হোক। কারণ সংশোধনাগার থেকে পিএমএলএ আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছোড়া থেকে শুরু করে অর্পিতার উদ্দেশে কটূক্তি সবরকমই অভিজ্ঞতা হয়েছে ইডির।

তাছাড়া পার্থ এবং অর্পিতা মুখ খুলছেন ধীরে ধীরে। অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। বিযে তথ্যের ভিত্তিতে বিড়ম্বনায় পড়তে পারেন একাধিক হেভিওয়েট। তাই নিরাপত্তার কারণ দেখিয়েই মূলত আবেদন করা হয়। সেই আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। ৩১ অগস্ট তাঁরা জেলেই থাকবেন, ভার্চুয়ালি তাঁরা আদালতে হাজিরা দেবেন।



পার্থকে সশরীরে হাজিরা থেকে রেহাই দেওয়ার জন্য সোমবার চিঠিটি লিখেছিলেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘সশরীরে হাজিরা হলে নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।’ তবে পার্থের আইনজীবী বলেছেন, তাঁরা প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপের সঙ্গে সহমত নন। প্রয়োজনে আদালতে সেই অসম্মতির কথা জানাবেন তাঁরা।
মুখ খুলছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, নিরাপত্তার কারনে জেলে বসেই হাজিরা আদালতে।

এদিকে, বাংলা ছাড়িয়ে পার্থ-অর্পিতার বিপুল সম্পত্তির হদিস মিলেছে দক্ষিণ ভারতের বেঙ্গালুরুতেও! এই দাবি করেছেন ইডি-র তদন্তকারীরা। পার্থর প্রাক্তন কর্মস্থলের অবসরপ্রাপ্ত এক ফিনান্স অফিসার সম্পত্তি কেনায় সাহায্য করেন বলে ইডির দাবি। সূত্রের খবর, ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ৬টি ফ্ল্যাট, ৩০ একর জমি, খামারবাড়ি ও বাংলো কেনা হয় বলে ইডি-র দাবি।







