নজরবন্দি ব্যুরো: ২০২৪-শের লোকসভা নির্বাচনই লক্ষ্য,দেশ জুড়ে ১০০ দিনের যাত্রা শুরু করবেন নড্ডা ।বিহারে জয়ের রেশ এখনও কাটেনি। তারই মধ্যে ২০২৪-শের লোকসভা নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছে বিজেপি। ফলে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে জোর কদমে। ফলে লক্ষপূরণে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করার চিন্তাভাবনা করছে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। খুব শীঘ্রই দেশ জুড়ে ১০০ দিনের যাত্রা শুরু করতে চলেছেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা।
আরও পড়ুনঃআমফানের পর ‘কেউ’ আসেনি, ছিলাম শুধু আমি! দল ছাড়ার ইঙ্গিত শুভেন্দুর।
কেন্দ্রীয় বিজেপি সূত্রে খবর, ১০০ দিনের ওই যাত্রায় বিজেপিশাসিত রাজ্যের পাশাপাশি দখলে নেই, এমন রাজ্যেও যাবেন বিজেপি সভাপতি। এই কর্মসূচীটির নাম, ‘রাষ্ট্রীয় বিস্তৃত প্রবাস’।সব মিলিয়েই বিভিন্ন রাজ্যে দুই থেকে তিনদিন থাকবেন তিনি। তবে দলের পক্ষ থেকে এই যাত্রার দিনক্ষণ এখনও পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়নি। এর আগেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে এনডি-এ ক্ষমতায় আসায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছেন,নাড্ডা। তবে সেই সাফল্যে সন্তুষ্ট না থেকে আরও বড়সড় লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান বিজেপি সভাপতি।
বিজেপি সূত্রে খবর,১০০ দিনের সফরে দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যে সম্ভাব্য জোটসঙ্গী খুঁজে বার করাও তাঁর কর্মসূচিতে থাকবে। যে সব রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে শাসকের ভাবমূর্তি আরও উন্নতির চেষ্টা করা হবে। এছাড়াও দলীয় ক্যাডারদের মধ্যে ভাবমূর্তির স্বচ্ছতা বাড়াতেই রাজ্যের শীর্ষ নেতারাদের তাঁদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় উৎসাহিত করবেন নড্ডা।
বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলেন,”দলীয় লক্ষ্যে পৌঁছতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দলের কাজকর্ম নিয়ে সবিস্তার রিপোর্টও তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে দেশ গড়ার কাজে দলীয় সংগঠন আরও বাড়াতে হবে।” এই সফরে যে যে জায়গা গুলিতে তিনি পা রাখবেন,সেই গুলিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। কর্নাটক, নাগাল্যান্ড, বিহার, ত্রিপুরা-সহ বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলি ‘এ’ বিভাগে রাখা হয়েছে।
২০২৪-শের লোকসভা নির্বাচনই লক্ষ্য,দেশ জুড়ে ১০০ দিনের যাত্রা শুরু করবেন নড্ডা । কেন্দ্রশাসিত অঞল দিল্লি এবং রাজস্থান, ছত্তীসগঢ়, মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব এবং ওড়িশার মতো রাজ্যে যেখানে বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে পারেনি, সেগুলিকে ‘বি’-শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। লক্ষদ্বীপ, মেঘালয় এবং মিজোরামের মতো ছোট রাজ্যগুলি ‘সি’-ক্যাটেগরিতে ধরা হয়েছে।



