মহাকাশে আটকে থাকা সুনীতাদের সামনে ঠিক কতটা বিপদ? জানালেন ISRO প্রধান সোমনাথ

গত ৬ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুনীতা উইলিয়ামস এবং তাঁর সহকর্মী ব্যারি বুচ উইলমোর। সঙ্গে রয়েছেন আরও সাত জন নভশ্চর।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ইতিহাস রচনা করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস। প্রথম মহিলা পাইলট হিসাবে সফল ভাবে বোয়িং স্টারলাইনারের মহাকাশযানকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন ফ্লরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ। মহাকাশ যেন ৫৮ বছর বয়সি সুনীতার কাছে দ্বিতীয় ঘর! আর সেখানে পৌঁছে রীতিমতো আনন্দে নাচতে থাকেন তিনি। সেই সুনীতা এবার কবে পৃথিবীতে ফিরবেন তা নিয়ে ঘোরতোর সঙ্কট দেখা যাচ্ছে!

কারণ, ‘রিসার্স’ নামে রাশিয়ার একটি কৃত্রিম উপগ্রহ বিস্ফোরণ হয়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের কাছেই। তার পরেই উপগ্রহের হাজার হাজার ভাঙা টুকরো ছড়িয়ে পড়েছে মহাকাশ স্টেশনের চারপাশে। ফলে, স্পেস ওয়াকে বাধা পড়েছে সুনীতাদের। এখন নাসা বলছে, সুনীতারা কবে ফিরবেন তা কার্যত অনিশ্চিত। এমনকি ৯০ দিন পর্যন্ত তাঁরা মহাকাশে আটকে থাকতে পারেন। আবার তার আগেও ফিরে আসতে পারেন।

মহাকাশে আটকে থাকা সুনীতাদের সামনে ঠিক কতটা বিপদ? জানালেন ISRO প্রধান সোমনাথ

এবার ইসরো প্রধান এস সোমনাথ মুখ খুললেন সুনীতাদের এই মহাকাশে আটকে থাকার বিষয়ে। সুনীতাদের সামনে কি বিপদের আশঙ্কা আছে? এভাবে স্পেস সেন্টারেও বা ক’দিন থাকা যায়? সোমনাথ বলেছেন, “চিন্তার কিছু নেই। সুনীতাদের কোনও বিপদ হবে না। স্পেস সেন্টারে তাঁদের থাকার জন্য সবরকম ব্যবস্থা আছে। কিন্তু, তাঁদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টা নিয়ে আগে ভাবতে হবে নাসাকে।”

কারণ, ৪৫ দিন পর যে মহাকাশযানে করে সুনীতারা গিয়েছেন সেই বোয়িং স্টারলাইনার কার্যত অকেজো হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে কথা রয়েছে, স্পেস এক্সের ক্রু ড্রাগন অথবা রুশ সয়ুজে পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন সুনীতারা। তাই সোমনাথ বলেছেন, “একটা জিনিসই ভাবনার, সুনীতাদের ফেরানোর জন্য একটি নতুন মহাকাশযান তৈরি করতে হবে। যেটা করে তাঁরা পৃথিবীতে ফিরবেন। স্টারলাইনারের মতো মহাকাশযান তৈরির সময় আগে সেটাই মাথায় রাখা দরকার।”

মহাকাশে আটকে থাকা সুনীতাদের সামনে ঠিক কতটা বিপদ? জানালেন ISRO প্রধান সোমনাথ

মহাকাশে আটকে থাকা সুনীতাদের সামনে ঠিক কতটা বিপদ? জানালেন ISRO প্রধান সোমনাথ

গত ৬ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুনীতা উইলিয়ামস এবং তাঁর সহকর্মী ব্যারি বুচ উইলমোর। সঙ্গে রয়েছেন আরও সাত জন নভশ্চর। পরিকল্পনা, এক সপ্তাহ ধরে তাঁরা নানা ধরনের গবেষণা চালাবেন। সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখবেন নতুন মহাকাশযান স্টারলাইনারের সিস্টেম। এর মাঝে স্পেস সেন্টারে ‘সুপারবাগ’ নামে একটি ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান ফেলে। তখনও সুনীতাদের জীবন নিয়ে কিছুটা সংশয় দেখা যায়। যদিও সেই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হননি কেউই। এবার নতুন করে আতঙ্ক। এখন, সুনীতারা কবে পৃথিবীতে ফিরবেন সেই অপেক্ষাতেই দিন কাটছে সকলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর